মাহবুবুজ্জামান সেতু, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় গলায় ফাঁস দেয়াবস্থায় আঁখি খাতুন (২০) নামে এক গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহতের বাবার পরিবারের দাবী তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। পরে গলায় ফাঁস দিয়ে শয়ন ঘরের ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচারনা করা হচ্ছে।
ঘটনায় নিহতের স্বামী পাইলটকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের চক-শ্রীকৃষ্ণ গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় ও নিহতের বাবার পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার প্রসাদপুর বাজারে পাইলট কম্পিউটারে অনলাইনের কাজ করেন। তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করায় স্ত্রীর সাথে এ নিয়ে পারিবারিক কলোহ হতো।
এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও দ্বন্দ্ব হয়। এ নিয়ে আঁখিকে নির্যাতন করা হয়। রাতের কোন এক সময় আঁখি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। ঘটনার পর থেকে পাইলট পালিয়ে ছিল। সকালে প্রতিবেশিরা আঁখির বাবার বাড়িতে ফোন করে বিষয়টি অবগত করা হয় তাদের মেয়ে মারা গেছে। তবে আঁখির নানা লাল চাঁন দাবী করেন তাদের মেয়েকে রাতে নির্যাতনের পর হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুঁলিয়ে রাখা হয়েছে। পরে থানায় সংবাদ দিয়ে বেলা ১১টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ঘরের দরজা জানালা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। ধারনা করা হচ্ছে আত্মহত্যা করেছে। তবে নিহতের হাতে ব্লেডের আঘাত ছিল। ঘটনার পর নিহতের স্বামীকে আটক করা হয়েছে। তাকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা উন্মোচিত হবে।



