নগরঘাটায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ

193

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ সরকারের বাল্য বিবাহ আইনুযায়ী মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮,ছেলেদের বিয়ের বয়স ২১। কিন্তু লোকচক্ষুর অন্তরালে আইনকে ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন ই বাল্যবিবাহের অভিশাপে অভিশপ্ত করছে নারীদের!

কিন্তু কেনো সচেতনতা বাড়ছে না জনগনের মাঝে? অনুসন্ধানে দেখা যায় বেশীরভাগ পরিবারের মেয়েরা অষ্টম শ্রেনীতে উঠার পরই বাল্যবিবাহের স্বীকার!

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের মিঠাবাড়ি উত্তরপাড়া গ্রামে নিজে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ রুখে দিলেন তালা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরিন।

২৩ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটে মিঠাবাড়ি গ্রামের মোঃ নুর ইসলাম সানার স্কুল পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সের কন্যার বিবাহের উদ্দেশ্যে বর পক্ষের আত্বীয়-স্বজন দেখতে আসে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরিন। অবস্থা অনুকূলে না থাকায় সুযোগ বুঝে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় ছেলে পক্ষের লোকজন।

এসময় মেয়ের পিতা মোঃ নুর ইসলাম সানা, মেয়ের ভাবি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ মনিরুজ্জামান মনি নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অঙ্গীকার করেন যে, মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়ে বিয়ে দেবেন না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা, ও ইউনিসেফ এর বরাত দিয়ে জানা যায় একটি মেয়ে কখনোই ১৮ এর আগে বিয়ে নয়,২০ এর আগে সন্তান নয়।

যাদের অল্প বয়সে বিয়ে হয় তারা নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়, এমন কি অল্প বয়সে সন্তান প্রসব হলে, সেই সন্তান রিষ্ট,পুষ্ট হয় না!