নওগাঁর মান্দায় তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

20

মাহবুবুজ্জামান সেতু,নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় তীব্র শীতে যবুথবু মান্দার সাধারণ জনগণ। কনকনে ঠান্ডা ও প্রচন্ড শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন যাবত আরও তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডা পড়া শুরু হয়েছে। পশ্চিম দিক থেকে সজোরে বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে এবং ঘন কুয়াশার কারণে এমন তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডা উপলব্ধি করছে মান্দাবাসী।

তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না, সারাদিন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকছে। রোদ বেরোলেও বাতাসের তীব্রতার কারনে প্রচন্ড শীত অনুভূত হচ্ছে। তীব্র শীতে বেশি প্রভাব ফেলছে হত দরিদ্র লোকদের জীবনে। গরীব শ্রেণির লোকজনের গরম কাপড় না থাকায় অসহনীয় শীতে ভোগছে। দিনমজুররা তীব্র শীতে তাঁদের কাজকর্ম ভালোভাবে করতে পারছেন না। গ্রামের কৃষকরা সময়মত হালচাষ, রবি মৌসুমি ফসলে পরিচর্যা করতে পারছেন না।

স্কুল ও কলেজ গামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সকালে প্রাইভেট ও কোচিংয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কনকনে শীতের কারনে নাস্তানাবুদ হয়ে পড়ছে, যদিও তারা গরম কাপড় পরিধান করে যাচ্ছে। তীব্র শীতে অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের ঠান্ডাজনিত রোগবালাই দেখা দিচ্ছে। এদিকে গ্রামের চায়ের দোকানে সকাল ও সন্ধ্যায় লোকজনদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। আবার কেউ কেউ সিদ্ধ গরম ডিম ও শীতের নানা রকমের পিঠাপুলি খাচ্ছে মনের সুখে। শীত নিবারণের জন্য কোমলমতি শিশু সহ বয়স্করাও খড়ে আগুন জ্বালিয়ে কিছুটা শীত নিবারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

অটোচার্জার ভ্যান চালক বয়েজ উদ্দিন জানান, তীব্র শীত ও হিমেল বাতাসের কারণে লোকজন অটোভ্যানে উঠছে না,এতে আমার আয় রোজগার হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, আমি দিনে ৩০০-৬০০ টাকা রোজগার করতাম, কিন্তু তীব্র শীতের কারনে এখন আমার রোজগার ২০০-৩০০ টাকা।