ঝিনাইদহে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় স্থগিত হলো জিএমসি কলেজের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন

9

সাহিদুল এনাম পল্লব, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ উপজেলার ফুরসন্দী ইউনিয়নের জিএমসি কলেজে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের নিধারিত তারিখ ছিল ২৪ শে জুলাই রোজ বুধবার। গত ৪ঠা জুলাই উক্ত কলেজের নির্বাচনী তফসীল ঘোষণা করা হয়। তার আগে ১২/০৫/২০১৯ তারিখে নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য সিনিয়ার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ গোলাম সরোয়ার কে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়। উক্ত তফসীলে ঘোষণা করা হয় যে ৭/০৭/২০১৯ তারিখে মনোনয়ন পত্র ক্রয় ০৯/০৭/২০১৯ তারিখে জমাদান ১০/৭/১৯ তারিখে যাচাই বাছাই ১১/০৭/ ২০১৯ প্রত্যাহার ২১/০৭/২০১৯ তারিখে নির্বাচন। নির্বাচন তফসীল বিধি মোতাবেক ৩ জন টিয়ার সহ মোট ১৪ জন মনোনয়ন পত্র জমা দেয়। টিয়ার প্রতিনিধি হিসাবে ৩ জনের বেশী মনোনয়ন পত্র জমা না দেওয়ায় ঐ ৩ জন কে বিজয় ঘোষণা করা হয়। তারপর ১০ জুন অভিবাবক সদস্য ও প্রতিষ্ঠা সদস্য পদে ১১ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। ১১ তারিখে ১ জন অভিবাবক সদস্য প্রত্যাহার করলে ১০ জন চুড়ান্ত ভাবে নির্বাচনে প্রতিদন্দিতা করে। সেই মোতাবেক গত ২১ জুলাই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল কিন্ত প্রিজাইডিং অফিসারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২ দিন পিছিয়ে ২৪ তারিখ নির্বাচনের তারিখ ধার্য করা হয়।

বিধি মোতাবেক ২৪ তারিখে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা অবধি বিবামহীন ভাবে ভোট চলবে। সেই মোতাবেক অত্র অঞ্চলের অভিভাবক প্রার্থী গন কলেজ প্রাঙ্গণে উপস্থিত। নেই প্রিজাইডিং অফিসার সহ আইন শৃঙ্গলা রক্ষা কারী বাহিনির কেউ। কলেজের অধ্যক্ষ নিজেও বলতে পারছে না ঘটনাটা কি? তারপরে সকাল ১০টা ১৫ ,মিনিটে কলেজ অধ্যক্ষের নিকট প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট থেকে ইমেল আসে যে এলাকার আইন শৃঙ্খলা অনুকুলে না নির্বাচন স্থগিত করা হয়। ঘোষণা শুনে উপস্থিত অভিভাবক প্রার্থী ও ভোটাররা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যেহেতু আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সেহেতু আগেই নির্বাচন স্থগিত উচিত ছিল। নির্বাচন ঘোষণা করা আমাদের কোন ভোগান্তি দেওয়ার দরকার ছিল না। এই প্রসঙ্গে প্রিজাইডিং অফিসার বলে যে এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপের কারনেই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী ইসলাম বলে যে যদি ঐ কলেজে নির্বাচন হতো তাহলে খুন জখমের সম্ভবনা আছে।অত্র ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নির্বাচন চায় না বর্তমান চেয়ারম্যান নির্বাচন চায়। যার কারনে খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যখন এলাকার পরিস্থিতি শান্ত হয় তখন নির্বাচন দেওয়া সম্ভব হবে।