সাহিদুল এনাম পল্লব, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ কথাটা বলেছে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী নুর-এ-আলম বিল্পব। সাংবাদিকদের সাথে আলাপ চারিতায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর কি করবেন? এই প্রশ্নের জবাবে সে জানায় যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলাবাসী ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করলে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার, উন্নয়নের কাণ্ডারি জনদরদী বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গ্রাম হবে শহর কর্মসূচী বাস্তবায়নের একজন সৈনিক হিসাবে সাধারন মানুষের পাশে থাকব। দরিদ্র বিমোচন কর্মসূচী প্রকল্প দুর্নীতি মুক্ত করে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মাঝে প্রকল্পের উপকরণ সরবরাহে ভুমিকা রাখব। আমি দরিদ্র মানুষের নেতা নয়, গ্রাম বাংলার সাধারন মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই।
জানা যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী নুর- এ- আলম বিল্পব ১৯৭৫ সালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানি ইউনিয়নের কোলা গ্রামে এক আওয়ামীলীগ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করে। তার বাবার নাম শমশের আলী মিয়া ও মাতার নাম রিজিয়া খাতুন। তার বাবা ও বড় ভাই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারনে মাত্র ১১ বছর বয়সে ১৯৮৬ সালে ছাত্রলীগের মাধ্যমে তার রাজনীতির জীবন শুরু হয়। এই সময়ে ঝিনাইদহ খুব কম পরিবার আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। সাংগঠনিক দক্ষতার কারনে ১৯৮৮ সালে ঝিনাইদহ শহর ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হয় এবং ১৯৯৫ সালে জেলা যুবলীগের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে ২০১৪ সালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়ে ২০১৮ সাল অবধি এই পদে ছিল।
রাজনীতির কারনে তাকে বার বার মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ ও নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। যেমন ১৯৯০ সালে তাকে যুবদল নেতা ফরহাদ এবং ২০০১ সালে যুব্দল নেতা মসলেম ও ২০০৩ সালে ফকির হত্যা মামলার মিথ্যা আসামী করা হয়। এই সময়ে ফরহাদ হত্যা মামলায় তাকে ৯ মাস এবং ফকির হত্যা মামলায় ৩ মাস ব্যাপী কারাগারে আটক ছিল। ২০০১ সালে যুব্দল নেতা মসলেম হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকতে হয়। এই সময়ে তার পরিবারের উপর নেমে আসে বিএনপি জামাতের নির্যাতন।
দীর্ঘদিন যুবলীগের দায়িত্বে থাকার কারনে নুর- এ- আলম বিল্পবের রয়েছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ১৭ টি ইউনিয়ন ব্যাপী ব্যাপক পরিচিত। সেই কৌশল কাজে লাগাতে পারলে ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে জয়ের মালা তার গলায় উঠার সম্ভবনা আছে।



