কেশবপুরের বিভিন্ন মসজিদে বিএনপি নেতা আবু’র দোয়া মাহফিল সংগ্রাম পরিষদের শোক র‌্যালী রবিবার

15
কেশবপুরের বিভিন্ন মসজিদে বিএনপি নেতা আবু’র

আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ কেশবপুর আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবু বকর আবু’র আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শুক্রবার কেশবপুর শহরের মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস জানান, জুম্মার দিনে শহরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ, ডাক্তার খানা জামে মসজিদ, হাবিবগঞ্জ জামে মসজিদ ও শাহী মসজিদে বিএনপি নেতা দীর্ঘদিনের রাজপথের সঙ্গী আবু বকর আবু’র আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। অপরদিকে একই দিনে নিহত আবু বকর আবুর হত্যার ন্যায় বিচারের দাবীতে গঠিত সংগ্রাম পরিষদ মজিদপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদে জুম্মার দিনে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। আজ রবিবার বিকাল ৩ টায় কেশবপুর শহরে কালো ব্যাচসহ শোক র‌্যালীর কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব হুমায়ুন কবীর পলাশ নিশ্চিত করেছেন।

নিহত বিএনপিনেতা আবু বকর আবু ১৯৮০ সালে থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৮২ সালে থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৭ সালে থানা বিএনপির আহ্বায়ক, ১৯৮৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৯ সালে যশোর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া মজিদপুর ইউনিয়ন থেকে ৪ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংগ্রাম পরিষদ কমিটির আহবায়ক ও ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান গাজী ও সদস্য সচিব হুমায়ুন কবীর পলাশ জানান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর আবু আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ কেশবপুর আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনতে গত ১২ নভেম্বর সোমবার সকালে হানিফ পরিবহনে কেশবপুর থেকে ঢাকায় যান।

সেখানে পল্টন এলাকার মেট্রোপলিটন (আবাসিক) হোটেলের ৪১৩ নম্বর কক্ষে অবস্থান করেছিলেন। তিনি বিএনপির দলীয় অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম কিনে যথা সময়ে জমা দেন। মনোনয়ন বোর্ডের সাক্ষাতকারের তারিখ ছিলো ১৯ নভেম্বর দুপুর ২ টার পর। কিন্তু হঠাৎ করে গত ১৮ নভেম্বর রাত ৮ টার পর আব বকর আবুকে কে বা কারা অপহরণ করে। ঘটনার ৫ দিন পর তার মরদেহ বুড়িগঙ্গা নদীতে পাওয়া যায়।