আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কেশবপুরে পূর্বের শত্রুতা ও জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা ১ বিঘা জমির ২৫০টি মেহগনি গাছসহ শতাধিক কলাগাছ কেটে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এঘটনায় শাহিন আলম বাদী হয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কেশবপুর থানার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ সূত্রে ও উপজেলার বায়সা গ্রামের মৃত গোলাম মোড়লের ছেলে শাহিন আলম সাংবাদিকদের জানান ২০১৭ সালে বায়সা মৌজায় আমার মা সখিনা বেগমের কাছ থেকে ৪০ শতক সম্পত্তি ক্রয় করার পর থেকে আমি ওই সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছি। ওই সম্পত্তিতে আমি ৪ শতাধিক মেহগনি গাছ ও ২শতাধিক কলাগাছ রোপন করি।
কিন্তু একই গ্রামের মৃত আনসার মোল্যার ছেলে ইকবাল মোল্যা ও রবিউল মোল্যা, প্রতিবেশী মৃত হানেফ মোড়লের ছেলে আব্দুল মান্নান ও মৃত কালু মোড়লের ছেলে আলেক মিলে পূর্বের শত্রুতা ও জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে রবিবার দুপুরে আমার ১ বিঘা জমির ২৫০টি মেহগনি গাছসহ শতাধিক কলাগাছ কেটে সাবাড় করে দেয়। গাছকাটার সংবাদ পেয়ে গড়ভাঙ্গা বাজারে আমার কাপড়ের দোকান বন্ধ করে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে ওই জমিতে যাই। এসময় আমি গাছকাটার প্রতিবাদ করলে ইকবাল মোল্যা, রবিউল মোল্যা, আব্দুল মান্নান ও আলেক গাছ কাটা দাঁ নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দ্যেশে তাড়া করে।
আমি তাদের ভয়ে পালিয়ে জীবন রক্ষা করি। শাহিন আলম আরো বলেন ইতিপূর্বে তারা আমাকে অপহরণ করার পর মারপিঠ করে সাদা ষ্ট্যাম্পে জোর পূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। এখনও পর্যন্ত তাদের হত্যার হুমকি অব্যহত রেখেছে।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে ইকবাল মোল্যার কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান আমরা ৫০ বছর ধরে ওই সম্পত্তি ভোগ-দখল করে আসছি। এওয়াজ বদল করে নেওয়া সম্পত্তির ওপর আমরা কলাগাছ ও মেহগনি গাছ রোপন করেছিলাম। তাই আমরা কিছু মেহগনি গাছ ও কলাগাছ কেটে দিয়েছি। এব্যাপারে কেশবপুর থানার এসআই আকরাম হোসেন জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত অব্যহত রয়েছে।



