কেশবপুর ঐতিহাসিক স্থাপনায় সমৃদ্ধ

26

আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি :
কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ীতে অবস্থিত মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভুমি, বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান, ইতিহাস খ্যাত কপোতাক্ষ নদ, মোঘল সরাজ্যের স্মৃতি বিজড়িত হাম্মামখানা, ভরত রাজার দেউলসহ ঐতিহাসিক স্থাপনায় সমৃদ্ধ কেশবপুর পর্যটনের লীলাভুমিতে পরিণত হয়েছে।

পাশাপাশি সাগরদাঁড়ী মধুপল্লীর পশ্চিমে ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর সামনে কপেতাক্ষ নদের পাড়ে অবস্থিত কপোতাক্ষ চিড়িয়াখানা দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ভ্রমণ পিয়াসী মানুষের বাড়তি বিনোদন যোগান দিয়ে আসছে।

যার ফলে প্রতিদিন দুর-দুরান্ত হতে ছুটে আসা ভ্রমন পিয়াসীদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখানে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভুমি হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মধুপ্রেমী মানুষের বাড়তি বিনোদনের খোরাক মিটিয়ে আসছে। একটু সময় পেলেই যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত তার জন্মভুমি সাগরদাঁড়ীতে। পাশেই রয়েছে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের শৈশবের নের কপোতাক্ষ নদ। পাশে পাউবো’র নির্মিত কপোতাক্ষ ফিউসার পার্ক। রয়েছে প্রততত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে ভরত রাজার দেউল।

পাজিয়ায় রয়েছে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা ধেরাজ ভট্রাচার্য্যর জন্মভুমি। এছাড়াও পৃথিবী বিখ্যাত বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমানকে নিজ হাতে খাওয়াতে পারেন কলা, বাদাম, পাউরুটি। যশোর জেলা শহর থেকে ৩২ কিলোমিটার খুলনা থেকে ৪৮ কিলোমিটার সাতক্ষীরা থেকে ৩৫ কিলোমিটার রাস্তা কেশবপুর উপজেলা শহর পর্যন্ত। মটর সাইকেল, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস অথবা বাস যোগে আসা যায় এখানে। আর কেশবপুর থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার দুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত সাগরদাঁড়ী মধুপল্লী।

কেশবপুর থেকে ভাড়ায় চালিত মটর সাইকেল অথবা ইঞ্জিন ভ্যানে ৩০/৪০ টাকা ভাড়া দিয়ে অনায়াসে ২০/২৫ মিনিটে পৌছানো যায়। নাম মাত্র প্রবেশ মুল্যে মধু পল্লীতে দেখা মেলে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পৈত্রিক বসত ভিটা ও প্রসূতি স্থানসহ কবি পরিবারের যাবতীয় খুটিনাটি। পাশে পর্যটন কমপ্লেক্স ও জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় রাত্রি যাপনেরও রয়েছে সুব্যবস্থা। সারাদিনের ক্লান্তি অবষাদ দুর করতে সদা প্রস্তুত এই ভবনগুলি।