নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় মান্দা থানা পুলিশ ও ভাঁরশো ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন এর নেতৃত্বে তার বাহিনীর লোকজনের দ্বারা শ্রী শ্রী কালিমাতা (দেবোত্তর) সম্পত্তির চেরাগপুর মৌজার ৭ একর ৮৯ শতক এর আম দিঘী হইতে অবৈধভাবে রাতের অন্ধকারে মাছ লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১ টার সময় চেয়ারম্যানের গুন্ডা বাহিনীর লোকজন দিঘীতে প্রবেশ করে ৩ পিকআপ ভর্তি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুট করে নিয়ে যায়।
এসময় থানা পুলিশকে অবহিত করলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছালেও তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে অভিযোগকারী উপজেলার চককানু গ্রামের আলতাব হোসেন মন্ডলের ছেলে আহসান উল্লাহ কে মামলা করার পরামর্শ দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ চলে যায়।
এতে ভ‚ক্তভোগী বিপাকে পড়ে গতকাল বুধবার মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা হলেন, মান্দা উপজেলার পাশ্ববর্তী নিয়ামতপুর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের বদন মন্ডলের ছেলে মছির উদ্দিন, শরিফ উদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, মান্দা উপজেলার চেরাগপুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে মাসুদ রানা, শিশুবরে ছেলে শামসুল ও এছের আলী ছেলে আকবর আলী।
ভূক্তভোগী শ্রী শ্রী কালিমাতা (দেবোত্তর) সম্পত্তির আমমোক্তার আহসান উল্লাহর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভাঁরশো ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের হুকুমে তার গুন্ডা বাহিনীর লোকজন প্রশাসনের সামনে থেকেই মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এতে আমার প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভাঁরশো ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দিঘীতে মাছ মারার ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। তবে অভিযুক্তরা রাতে তাদের নিজস্ব দিঘীর মাছ মারে বলে দাবি করে নিজের দায় এড়িয়ে যান।
মান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার আগেই মাছ নিয়ে চলে যান।
এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হালিম এর সাধে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান।


