বেনাপোল কাস্টমস্ হাউজে চুরি

29

মোঃ জাকির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি : কাস্টস হাউজ বেনাপোলের পুরাতন বিল্ডং এর প্রথম তালায় উপ-কমিশনার রুমের সাথে সংযুক্ত গোপনীয় লকার ভেঙ্গে মুল্যবান পণ্য সামগ্রী চুরি কথা জানিয়েছেন কাস্টমস্ হাউজ-এর একজন কর্মকর্তা।

লকারে প্রবেশ করার পূর্বে সংঘবদ্ধ চোর চক্র সিসি ক্যামেরার তার কেটে দেয় বলে দাবি করেন সেই কর্মকর্ত। লোহার গ্রিল ও লকারের তলা ভেঙ্গে সেখান থেকে মুল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে কি পরিমান মুল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে তার সঠিক তথ্য তিনি জানাতে পারেন নি।

রবিবার সরকারী ছুটি থাকায় গত ০৮ নভেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটি থাকায় কখন কোন দিন এ পন্য চুরি হয়েছে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। সোমবার সকাল ০৯ টার সময় অফিস খোলার পর ওই লকারের তালা ভাঙ্গা দেখে চুরি হয়েছে বলে আশঙ্কা করেন কাস্টমস্ কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি তদন্তর জন্য কাস্টমস কর্তিপক্ষের আহবানে যশোর থেকে এসেছেন পিবি আই এর একদল গোয়েন্দা টিম, ডিবি পুলিশের তদন্ত টিম, র‌্যাব এর একটি তদন্ত দল এবং খুলনা থেকে সিআইডির একটি গোয়েন্দা টিম। এছাড়াও ডিজিএফ আই, এনএসআই এর গোয়েন্দা সদস্যরার উপস্থিত ছিলেন। সোমবার সকাল ১০ টা থেকে পর্যায় ক্রমে বিভিন্ন গোয়েন্দা, সদস্যবৃন্দ ঘটনাস্থলে এসে তাদের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

সর্বশেষ বিকাল ৫ টা নাগাদ ডিবি, সিআইড, পিবিআই, র‌্যাব ও বেনাপোল পোর্ট থানার কর্মকর্তা বৃন্দ ওই লকার রুমে প্রবেশ করেন। এবং এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাত ৭ টায় তাদের কেউই ওই কক্ষ থেকে বের হন নাই।

লকারে তদন্তর সময় হাত পায়ের ছাপ নির্নয় করার সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএসবির এ এসপি তৌহিদুল ইসলাম,ইন্সপেক্টর সৈয়দ মামুন হোসেন, র‌্যাব কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, আতিকুর রহমান, বেনাপোল কাস্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার শহিদুল ইসলাম,এআরও জিএম আশরাফ,লকারের দায়িত্ব রত এআরও সাইফুল সরদার,বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান প্রমুখ।

বেনাপোল কাস্টমস্ এর যুগ্ম কমিশনার শহিদুল ইসলাম বলেন, কি পরিমান অর্থ সম্পদ খোয়া গেছে এটা এই মুহুর্তে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। রেজিষ্টারের এর হিসাব মিলিয়ে আমরা বিস্তারিত জানাতে পারব।

স্থানীয় একাধিক মহলে প্রশ্ন এত নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে চুরির ঘটনা কি ভাবে ঘটল, এটা বোধ গম্য হচ্ছে না। কাষ্টমস্ এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তা মনে করেন অতি দ্রুত মুল হুতাদের আটক করতে পারবো।