পৌর নির্বাচনে শাশুড়ি-পুত্রবধূ, শ্যালক-ভগ্নিপতি ও ভাই-ভাইয়ে লড়াই

41
পৌরসভার নির্বাচন

আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি:  কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে শুক্রবার প্রতীক বরাদ্দের পর আলোচনায় এখন ৩ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থীদের নিয়ে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ৩ পদে মোট ৫৪ প্রার্থীর অর্ধেক ২৭ জন এই দুই ওয়ার্ডের।

৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন একই পরিবারের শ্যালক-ভগ্নিপতি ও শ্যালিকা এবং লড়ছেন শাশুড়ি ও পুত্রবধূ। এ ছাড়া ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আপন দুই ভাইয়ের লড়াই নিয়ে আলোচনা চলছে সর্বত্র। শুক্রবার প্রতীক বরাদ্দের পর জোরেশোরে প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। এর মধ্যে সব ৩ নম্বর সাবদিয়া ওয়ার্ডে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে চশমা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এই ওয়ার্ডের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা রাশিদা খাতুন। তার সঙ্গে একই বাড়ি থেকে জবাফুল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন তার দেবর আফতাব মোড়লের পুত্রবধূ খাদিজা খাতুন।

এ পদে আনারস প্রতীক নিয়ে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী একই গ্রামের বর্তমান কাউন্সিলর মেহেরুন্নেছা মেরি। আবার সাধারণ কাউন্সিলর পদে মেরির ভাই বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিনের (ফাইল কেবিনেট) সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন তাদের ছোট বোন লিলিমা খাতুনের স্বামী আওয়ামী লীগ নেতা নাছির উদ্দিন (পাঞ্জাবি)। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ব্ল্যাকবোর্ড প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন বালিয়াডাঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গফুর মোড়ল।

তার সঙ্গে একই পদে ডালিম প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে আছেন তার আপন ছোট ভাই পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল হালিম মোড়ল। ফলে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে কেশবপুরে টক অব দ্য টাউন এখন সাবদিয়া ও বালিয়াডাঙ্গা ওয়ার্ড।

উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৩ পদে নির্বাচনের মাঠে আছেন ৫৪ প্রার্থী। তার মধ্যে মেয়র পদে ৩ জন, ৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন পুরুষ ও সংরক্ষিত ৩টি ওয়ার্ডে ১৩ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন।