স্টাফ রিপোর্টার: এক সময়য়ের শিবির কর্মী এবং অপহরণ মামলার আসামী সোহাগ হোসেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন। সে নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ঢেপুখালি গ্রামের রফিকুল গাজীর পুত্র।
২০১৪ সালে সন্ন্যাসীর চক এলাকার এক ছাত্রীকে অপহরন করে বিয়ে করার অপরাধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। ঐ ছাত্রীকে ফুশলিয়ে অপহরন করায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০(সংশোধনী-২০০৩)এর ৭ ধারায় ৫৬/৬৪৫ মামলা দায়ের হয়। এছাড়া সোহাগ হোসেন এবং তার পরিবার জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিতে জড়িত।
সে সহ তার পরিবারের সদস্যরা ২০১৩-১৪ সালে নাশকতা, সহিংসতা, সড়কে পিকেটিং ও ব্যারিকেট, গাড়ি ভাংচুর সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত ছিল। ঐ সময় সে প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর ঢেপুখালি, বাবুরআবাদ, সন্ন্যাসীর চক এলাকা থেকে জামাত-শিবির কর্মীদের এনে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা ও সহিংস কর্মকান্ড চালাতো বলেও স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দায়ের করে।
বর্তমানে সে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে প্রার্থী ঘোষনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে সোহাগ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সব কিছু অস্বীকার করে বলেন, এসকল ঘটনা মিথ্যা। ছাত্রীকে অপহরন করার ঘটনায় আমাকে মিথ্যা আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। আমার নামে যে সকল অভিযোগ উঠেছে তা মিথ্যা।



