নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রেজাউল ইসলাম সজিব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।
৬নং উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও দোয়া প্রত্যাশী রেজাউল ইসলাম সজিব।
ছাত্র নেতৃত্ব থেকে উঠে আসা। রেজাউল ইসলাম সজিব ১যুগের অধিক সময় ধরে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন উচ্চমাধ্যমিক স্তর ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন – খুলনা-০৬ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্বন্বয় কমিটির সদস্য ছিলেন।
তিনি ৬ নং উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের কাঠমারচর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তার পিতা নজরুল ইসলাম সরদার টানা তিন বার ১নং ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য নির্বাচিত ছিলেন।
ছোটো ভাই বর্তমান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং বিভাগে MSC- এর ছাত্র।
রেজাউল ইসলাম সজিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ঢাকা কলেজ থেকে ইতিহাস বিভাগ থেকে সম্মানের সাথে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকতা যোগ্যতায় অন্য অন্য সকল প্রার্থীদের চেয়ে অধিক।
ডানপিটে স্বাভাবের স্বল্পভাষী, বিনয়ী, নম্র ভদ্র,সাংগঠনিক, জনদরদী,মেধাবী ছাত্রনেতার খেলা-ধুলা জগতে রয়েছে ব্যাপক সুনাম। সাম্প্রতিক তরুন এই ছাত্রনেতা দল মত নির্বেশেষে এলাকায় সকলের কাছে অধিক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
এছাড়া ইউনিয়নের ধর্মীয়, শিক্ষা ও সংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সামাজিক সংঘঠনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন তরুণ এই রাজনীতিবিদ।
সাম্প্রতিক করোনা ও বানভাসি অসহায় উত্তর বেদকাশী মানুষের পাশে , খাদ্য,বস্ত্র,অর্থ সহ নানা ধরনের সহযোগিতা ও বেঁড়ে বাঁধে দিন রাত নেতৃত্ব দিয়েছেন।
এসব বিষয়ে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন…বর্তমান প্লাবিত এলাকার মানুষের দুঃখ দর্দশা দেখে, সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে মানুষের আজীবন সেবা করার ব্রত নিয়ে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আসন্ন ৬নং উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেলে শতভাগ বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তরুণ এই নেতা।
এই ছাত্রনেতা বলেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা তরুন নেতৃত্বকে বেশি সুযোগ দিচ্ছেন,তাছাড়াআমি শতভাগ ক্ষতি গ্রস্থদের মধ্যে অন্যতম চলতি বছর ২০মে বিধস্ত আম্পানের আঘাতে লন্ড ভন্ড ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার উন্নয়নে ও ইউনিয়নের জনস্বার্থে,এলাকার মানুষের এই দুঃখ কষ্ট লাগবে দল আমাকে বেঁচে নিবেন ইনশাল্লাহ।
আমি জনতার চেয়ারম্যান নয় জনতার সেবক হতে চাই। আমার বাবা ক্ষুদ্র জীবনে অসহায় বন্ঝিত মানুষের সেবা করেছেন। জনগনের কাছে তিনি অধিক আস্থাভাজন ছিলেন। নির্বাচনে কখনে তিনি পরাজিত হন নি। আমি ও জনগনের আজীবন আস্থাভাজন হতে চাই । জনগনের ভালোবাসার পাত্র হয়ে থাকতে চাই মৃত্যু পর্যন্ত।
সর্বশেষ তিনি বলেন কেন্দ্র , জেলা,উপজেলা নীতি নির্ধারকরা জনপ্রিয় ও দলের ত্যাগী কর্মী দিক বিচার করে তরুণ নেতৃত্বকে সুযোগ দিতে, তাকেই সু-দৃষ্টি- এবং মনোনয়ন দিবেন।


