আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি : ভারতে মিঠা পানির মাছের ব্যাপক চাহিদা।করোনার কারণে এপ্রিল ও জুন মাসে বাংলাদেশ থেকে কোনো মাছ রপ্তানি হয়নি। গত দুই সপ্তাহ ধরে আবার কেশবপুর থেকে মাছ রপ্তানি শুরু হয়েছে।
কেশবপুর থেকে মৎস্য ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমান, মতিয়ার রহমান, ম্ঈন উদ্দিন ও ইকবাল হোসেন ভারতের আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে মাছ রপ্তানি করেন।গতকাল কেশবপুর মাছ বাজার থেকে আতিয়ার রহমানের আড়ৎ থেকে ছবি তোলা। যেখানে মাছ রপ্তানির জন্য মাছ প্যাকেট করা হচ্ছে।মাছ কাঁচা মাল তাই কখন লাভ হয় আবার ক্ষতি হয়। তবে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে মাছ পাঠাতে পারলে লাভ হতো।গত তিন বছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি হয়েছে দুই কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ২০৫ মার্কিন ডলার মূল্যের এক কোটি ১৯ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮২ কেজি মাছ। একই সময় ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৯৫ লাখ ৪৭ হাজার ২৯৭ ডলার মূল্যের এক কোটি ৩০ লাখ ৬৮ হাজার ৯১৮ কেজি মাছ।বেনাপোলের ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভারতে মাছ রপ্তানি হয়েছে ৩২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৪ কেজি, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৬৩০ কেজি এবং গেল অর্থবছরে (২০১৯-২০) রপ্তানি হয়েছে ৫২ লাখ ৪৫ হাজার ৮ কেজি মাছ। একই সাথে ভারত থেকে এদেশে মাছ আমদানি হয়েছে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৫ লাখ ১৬ হাজার ৩২৫ কেজি, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৭ লাখ শার্শা ২৮ হাজার ৬৭৮ কেজি ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪৮ লাখ ২৩ হাজার ৯১৫ কেজি।’ সরকারিভাবে মাছ রপ্তানির জন্য প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানির জন্য সহযোগিতা করলে। কেশবপুরের সাধারণ মৎস্য চাষীরা উপকৃত হবে ও সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে।


