আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি: কেশবপুরে শনিবার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে মাত্র ১১ জন হাজির হন। কেশবপুরে গেজেটভুক্ত ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নতুন করে যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হয়। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে ওই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান করা হয়।
এর মধ্যে উপজেলার সাবদিয়া গ্রামের জনাব আলী সরদার, মাদারডাঙ্গার পরিতোষ দত্ত, হদের জহির উদ্দিন, রেজাকাটির রশিদুল হক, বড়েঙ্গার খন্দকার আবুল কাশেম, কেশবপুরের নূরোল ইসলাম, মধ্যকুলের আব্দুল আজিজ খান, বেতিখোলার চন্টা শেখ, আড়–য়ার শৈলেন্দ্র নাথ রায়, গৌরিঘোনার রাজেস্বর মজুমদার ও ভান্ডারখোলার আব্দুস সামাদ খানের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। চার সদস্যের গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটি ওই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। কমিটির সদস্যরা হলেন- সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন, সদস্য মুক্তিযোদ্ধা এস এম তৌহিদুজ্জামান ও ফজলুর রহমান।
এ সময় পাশ্ববর্তী মণিরামপুর উপজেলার সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। কেশবপুরের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বলেন, এ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কেশবপুরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় উঠে আসবে।যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, যাচাই-বাছাই শুরুর আগে অনুপস্থিত অনেকেই তার অফিসে গিয়ে ২ ঘন্টা সময় চেয়ে নেন। তাদেরকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও হাজির না হওয়ায় মাত্র ১১ জনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা না তারা যখন সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করে তখন মুক্তিযোদ্ধাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন জানান, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্র সুষ্ঠুভাবে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হয়েছে। দ্রুত যাচাই-বাছাই প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে।



