কেশবপুরে দুই কাউন্সিলরের প্রার্থীর পাল্টা পাল্টি হামলা

60
কেশবপুরে দুই কাউন্সিলরের প্রার্থীর পাল্টা পাল্টি হামলা

আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি: আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেশবপুর পৌরসভার ৩ ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে পাল্টা পাল্টি হামলা নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগসহ বসতবাড়ি ভাঙচুর করে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কাউন্সিলর প্রার্থী জামালউদ্দীন সরদার বাদি ও নাছির উদ্দীন বাদি হয়ে উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।অভিযোগে বলা হয়েছে, পৌরসভা নির্বাচনে ৩ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জামালউদ্দীন সরদার ফাইল কেবিনেট প্রতিক নিয়ে কেশবপুর সাগরদাঁড়ি সড়কের সাবদিয়া মোড়ে নির্বাচনী কার্যালয়ে তার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই ওয়ার্ডে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অপর কাউন্সিলর প্রার্থী পাঞ্জাবী প্রতিকের নাসিরউদ্দীন সরদারসহ তার কর্মী সমর্থকরা প্রায় সময় তার নির্বাচনী কাজে বাধা ও ক্ষতিসাধন করে আসছেন।  এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারী রাত সাড়ে ৭ টায় জামালউদ্দীন সরদার কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে তার কার্যালয়ে কর্মী সমাবেশ ও নির্বাচনী আলোচনা করছিলেন।

এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী কাউন্সিলর প্রার্থী নাসিরউদ্দীন সরদার ও তার ছেলে সবুজ হোসেন নীরবের নের্তৃত্বে ২০/২৫ জন যুবক লাঠিসোটা নিয়ে জামালউদ্দীন সরদারের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে দুই লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। বাধা দিতে গেলে কাউন্সিলর জামালউদ্দীন সরদারের ভগ্নীপতি আব্দুর রাজ্জাক, সমর্থক লুৎফর রহমান, ও আব্দুস সালামকে তারা এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এদিকে একই দিনে ৩ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ফাইল কেবিনেট প্রতীকের প্রার্থী জামালউদ্দীন সরদার ও তার ছেলে শাহিনের নের্তৃত্বে পাঞ্জাবী প্রতীকের প্রার্থী নাছির উদ্দীন সরদারের নির্বাচনী কার্যালয়ে প্রকাশ্যে ঢুকে হুমকি দেওয়াসহ তার বতসবাড়ি ভাঙচুর করেন। ২৪ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১টার দিকে পাঞ্জাবী প্রতীকের প্রার্থী নাছির উদ্দীন সরদারের ছেলে সোহেল রানাকে রাস্তায় একা পেয়ে অতর্কিতভাবে হত্যার উদ্দেশে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে সোহেল রানাকে বেদম মারপিট করেন জামালউদ্দীন সরদার ও তার ছেলে শাহিন।

এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ কাউন্সিলর প্রার্থী নাসিরউদ্দীন সরদার বলেন, কেবা করা তার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করেছে তা আমি জানিনা। সে মিথ্যাভাবে আমাকে ও আমার ছেলেকে দোষারোপ করছে। এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ কাউন্সিলর প্রার্থী জামালউদ্দীন সরদারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য বার বার ফোন দেওয়া হলেও তার ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম আরাফাত হোসেন বলেন, দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাচাই বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।