আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ কেশবপুর আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আবু বকর আবুর হত্যার ন্যায় বিচারের দাবিতে সহস্রাধিক নারী পুরুষের বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে মৌণ মিছিল করে। রবিবার বিকেলে কেশবপুর কলেজ গেট থেকে কালো ব্যাচ বুকে বেঁধে মৌন মিছিল প্রদক্ষিণ শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেশবপুর ওয়াপদার গেচে শেষ হয়।
সংগ্রাম পরিষদের ডাকে আবু বকরের নিজ ইউনিয়নসহ আশ পাশের এলাকার মানুষ ও বিএনপি সকল স্তরের নেতা কর্মী শোক র্যালীতে অংশ নেন। র্যালী শুরুর পুর্বে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন সংগ্রাম পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা মোতাহার হোসাইন, এইচ এম কামরুজ্জামান হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, প্রভাষক জুলমত আলী, সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব হুমায়ুন কবীর পলাশ, মজিদপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, সাংবাদিক মশিয়ার রহমান, হুমায়ুন কবীর সুমন প্রমুখ।
নিহত বিএনপিনেতা আবু বকর আবু ১৯৮০ সালে থানা বিএনপির সাংগঠনি সম্পাদক, ১৯৮২ সালে থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৭ সালে থানা বিএনপির আহ্বায়ক, ১৯৮৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৯ সালে যশোর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া মজিদপুর ইউনিয়ন থেকে ৪ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর আবু আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ কেশবপুর আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনতে গত ১২ নভেম্বর সোমবার সকালে হানিফ পরিবহনে কেশবপুর থেকে ঢাকায় যান। সেখানে পল্টন এলাকার মেট্রোপলিটন (আবাসিক) হোটেলের ৪১৩ নম্বর কক্ষে অবস্থান করেছিলেন।
তিনি বিএনপির দলীয় অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম কিনে যথা সময়ে জমা দেন। মনোনয়ন বোর্ডের সাক্ষাতকারের তারিখ ছিলো ১৯ নভেম্বর দুপুর ২ টার পর। কিন্তু হঠাৎ করে গত ১৮ নভেম্বর রাত ৮ টার পর আব বকর আবুকে কে বা কারা অপহরণ করে। ঘটনার ৫ দিন পর তার মরদেহ বুড়িগঙ্গা নদীতে পাওয়া যায়।



