কেশবপুরে কুলাঙ্গার সন্তানের হাতে পিতা মাতা ও ভাই আহত এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে ওই কুলাঙ্গার সন্তান

13

আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : কেশবপুরে কুলাঙ্গার সন্তানের হাতে পিতা মাতা ও ভাই মারপিঠের শিকার হয়ে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদিকে ৯/১০ অক্টোবর একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে ওই কুলাঙ্গার সন্তান। আতœগোপনে থেকেও ওই কুলাঙ্গার সন্তানের হুমকির কারণে বাড়িতে উঠতে পারছে না পিতা মাতা ও ভাই। আহত ওই পিতা মাতা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র জীবন যাপন করছে।

প্রথমে কবীর সরদারকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছিল পরে সেখান থেকে মাতৃমঙ্গল ক্লিনিকে ভর্তি হয়। পিতা মাতা স্থানীয় চিকিৎসা নিয়েছে। আহত কবীর সরদার সাংবাদিকদের জানান বড় ভাই সালাম সরদার আতœগোপনে থেকেও আহত পিতা মাতা ও আমাকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিচ্ছে। বড় ভাই সালামের হুমকির কারণে হাসপাতাল ছেড়ে কেশবপুর শহরের মাতৃমঙ্গল ক্লিনিকে আমি ভর্তি হয়েছি।

এখানে ভর্তি হওয়ার পরও তার হুমকির অব্যহত রয়েছে এছাড়া তার ভয়ে কোন দপ্তরে অভিযোগ করতে সাহস পাচ্ছি না আমি। উল্লেখিত উপজেলার শ্রীফলা গ্রামের ছেরমত আলী সরদারের ছেলে আহত কবীর সরদার (২৫) সাংবাদিকদের জানান পারিবারিক বিষয় নিয়ে আমার পিতা ছেরমত আলী সরদার (৬২) ও আমার মা আনোয়ারা বেগম (৫০) কে আমার বড়ভাই সালাম সরদার প্রায় সময় মারপিঠ করে আসছে। গত বুধবার দুপুরে আমার ভাই সালাম সরদার সম্পত্তি লিখে নেওয়ার জন্য আমার পিতা ছেরমত আলী সরদারকে চাপ সৃষ্টি করে। আমার পিতা সম্পত্তি লিখে দিতে অস্বীকার করলে পিতা ও মাতাকে মারপিঠ শুরু করে।

এসময় আমি প্রতিবাদ করতে গেলে আমার ভাই সালাম সরদার শাবল দিয়ে আমাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। শ্রীফলা গ্রামের সাত্তার সরদার, বাবু সরদার, করীম সরদার, সেলিম সরদারসহ অনেকেই জানান সালাম একজন ভয়ঙ্কর প্রকৃতির লোক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যাক্তি মুখ খুলতে সাহস পায়না। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এছাড়া সালাম সরদার একাধিক বার তার পিতা ও তার মাতাকে মারপিঠ করেছে।

আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের ওপরও সে চড়াও হয়ে উঠে। এব্যাপারে সরাসরি সালাম সরদারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য শনিবার দুপুরে তার বাড়িতে গেলে তাকে না পেয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সালাম সরদারের মেয়ে জানান আমার দাদা-দাদী ও চাচাকে মারপিঠের পর ৪ দিন ধরে আমার পিতা বাড়িতে আসেনি।