আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি: কেশবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাগুরাডাঙ্গা গ্রামে ঐতিহ্যবাহী ৭শ বছরের ফকিরের মাজারে মানুষের ঢল নেমেছে। রবিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে কেশবপুর উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ মাজারে মানুষ এসেছে। মাজহারুল ইসলাম ফকির,জালাল আলী ফকির,নজরুল ইসলাম ফকির, মুনছুর আলী ফকির জনতার বিবেক অনলাইন টেলিভিশনের কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমানকে জানান, প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার এ মাজার বসে থাকে।এখানে পুরানো একটি বটগাছ রয়েছে।কালাপাড় ফকির মারা যাওয়ার আগে তার বাপ দাদারা এ মাজারে দায়িত্ব পালন করে আসে ছিলেন। কালাপাড় ফকির মারা যাওয়ার পর বর্তমানে এখন আমরাসহ ১৪ জন মিলে মাজারের পরিচালনা করে আসছি।
যশোর, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল, খুলনা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, ঢাকা, সিলেট, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ও বিভিন্ন দেশের লোকজন এসে তাদের কামনা ও ভাসো না পুরণ করেন। আবার কেউ কেউ এ মাজারে ছাগল, হাস, মুরগি ছেড়ে দিয়ে তাদের কামনা ও ভাসো না পুরণ থাকেন। এ ছাড়া মাজারে রান্না বাড়া করে খাওয়া দাওয়া করে থাকেন লোকজন। প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার এ মাজার বসে থাকে, হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে এ ফকির বাড়ির মাজারে। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লোকজন জানান,আমরা এখানে এসে আনন্দ পায়। এখানে রান্না পাড়া করে খাওয়া দাওয়া করে থাকি। ফকির বাড়ির মাজারে এসে আমাদের কামনা ও ভাসো না পুরণ হয়।



