আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি :
কেশবপুরে ইরি মৌসুমের বীজ তলা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। পুরুষের পাশাপাশি বীজ তলা তৈরীর কাজে সহযোগিতা করছে নারীরা। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বীজ তলা তৈরীর পর রোপণের কাজ শুরু করেছে অনেক কৃষকরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে চাষ দেওয়াসহ জমি পরিচর্যা করছেন কৃষকরা।
এবার কেশবপুর উপজেলায় ৭শত ১৫ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরী করেছে কৃষকরা। রবিবার দুপুরে উপজেলার ত্রিমোহিনী,সাগরদাঁড়ি,মজিদপুর,বিদ্যানন্দকাটি,মঙ্গলকোট,সদর,পাঁজিয়া,সুফলাকাটি,গৌরঘোনা,সাতবাড়িয়া,হাসানপুর ইউনিয়নসহ কেশবপুর পৌরসভা ঘুরে দেখা গেছে অনেক কৃষকরা বীজতলা তৈরীর পর রোপণের কাজ শুরু করেছে। ব্রক্ষকাটি গ্রামের কৃষক ইসলাম দফাদার,মহাসিন দফাদার,আব্দুল মজিদ মোড়ল,জামাল সরদার,আছিন সরদার,হাকিম সরদার,হামিদ সরদার, ত্রমিােহনিি গ্রামরে আব্দুজ জব্বার, আব্দুল মোমনি, শুকুর আলী, সাদবাড়য়িা গ্রামরে সবুর সরদার, আব্দুল হাকমি, চংিড়া গ্রামরে আজজিুর রহমান, ইমরান হুসাইন, আফজাল হোসনে, ঝকিরা গ্রামরে কামরুজ্জামান, বাবু শখে, হাসানপুর গ্রামরে নয়ন আল,ি ফজলু মড়েল, মজদিপুর গ্রামরে টুটুল শখে,আলি হসেনে,বাগদা গ্রামরে যাকরি হোসনে, পাবলা, হোসনে গাজীসহ অনেক কৃষকরা জানান,আমরা ইরি মৌসুমের শুরুইতে বীজ তলা তৈরীর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছি,সেই সাথে রোপণের কাজ চলছে,জমিতে চাষ করাসহ পরিচর্যা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েকদিন পর থেকে কৃষকরা পুরাদমে ইরি মৌসুমের রোপণের কাজ শুরু করবে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মহাদেব চন্দ্র সানা বলেন,এবার কেশবপুর উপজেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭শত ১৫ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরী করেছে কৃষকরা।
কেশবপুরে খেলাঘর প্রতিনিধিদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ
কেশবপুরে খেলাঘর ২০ জন প্রতিনিধিদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা খেলাঘর আসরের আয়োজনে খেলাঘর এর কার্যালয়ে উপজেলা খেলাঘর আসরের সমাজকল্যাণ বিভাগ সম্পাদক প্রবীর দত্তের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে শীত বস্ত্র বিতরণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন।
শীত বস্ত্র বিতরণকালে উপজেলা উপস্থিত ছিলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা মনি মোহন ধর,উপজেলা খেলাঘর আসরের সভাপতি আব্দুল মজিদ(বড় ভাই),পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য ও পৌর নির্বাচনে ৪ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সৈয়দ আকমল আলী সহ খেলাঘর আসরের নেতৃবৃন্দ।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদৎ হোসেনের গণসংযোগ অব্যাহত
আসন্ন কেশবপুর উপজেলার ২০২১ সালের সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার,প্রচারণায় নেমে পড়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যানির্বাহী কমিটির সদস্য, উপজেলা আওয়ামী লীগ যুবলীগের সাবেক আহŸায়ক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা,নতুন মূলগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি,আরতাপোল মানিকপোল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি সদর ইউনিয়নের পরিচিত মুখ দুইবার দলীয় মনোয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী শাহাদৎ হোসেন চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে পুরাদমে গণসংযোগে নেমে পড়েছে।
তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রতিনিয়ত গণসংযোগ করে চলেছেন । সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার কর্মী,সমর্থকরা একটু আগেভাগেই প্রচার প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। সোমবার দুপুরে সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়,এলাকার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দলের নেতাকর্মী,ভোটার ও সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদত হোসেন। ইউনিয়নের মানুষের সব সময় খোঁজ খবর রাখেন তিনি। এলাকার মানুষের বিপদে পাশে থাকাসহ নানা সামাজিক কর্মকান্ডে,অংশ নিচ্ছেন।তাছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক,স্বেচ্ছাসেবী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ও ব্যক্তিগতভাবে অর্থ দিয়ে এলাকার অসহায়,হতরিদ্র গরিবদের সেবা অব্যাহত রেখেছেন। প্রতিদিন ইউনিয়নের কোথাও না কোথাও গণসংযোগ উঠান বৈঠক করেন তিনি। সকল শ্রেণী পেশার মানুষ তার আচার,ব্যবহারে মুগ্ধ। আগামী ২০২১ সালের মার্চ মাসে কেশবপুর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তবে এখনো নির্বাচন কমিশন নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করা না দিলেও, সদর ইউনিয়ন জুড়ে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। সেই নির্বাচনী আলোচনায় বেশ এগিয়ে আছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদৎ হোসেন। সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আফসার উদ্দীন গাজী,সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আব্দুল সরদার,আব্দুল রহিম,প্রবাস,নজরুল ইসলাম,মুনতাজ হোসেন, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের আহŸায়ক ত্যেহিদুজ্জামান,যুগ্ম আহŸায়ক শিমুল হাসান,আব্দুল গফুর,ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ,রিফাত,সুমন,রাকিবুল হাসান বলেন,সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদৎ হোসেন চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের জন্য তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। দল তাকে মনোনয়ন দিলে এই ইউনিয়নে তিনি বিজয়ী হবেন,শাহাদৎ হোসেনের গ্রহণযোগ্যাতা রয়েছে,তিনি দলের নেতাকর্মী,ভোটার ও সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করছেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেলে আমরা তার জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। ২০১২ সালে ও ২০১৬ সালে তিনি দলীয় মনোয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন। সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদৎ হোসেন বলেন,২০১২ সালে ও ২০১৬ সালে আমি দলীয় মনোয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন। এবার দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে ভোটারদের মাধ্যমে আমি বিজয়ী হবো। বিজয়ী হওয়ার পর সদর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন পরিণত করবো।রাস্তাঘাট,পানি নিস্কাশন,ড্রেন ও ধর্মীয় উপাসনালয় পরিকল্পিত ভাবে উন্নয়নের কাজ করবো।


