হরিহর নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটি “গোলাম আলী ফকির ব্রীজ“ নামকরণ করার দাবী

69

আজিজুর রহমান, মনিরামপুর থেকে ফিরে:  পার্শ্ববর্তী মনিরামপুরে নাগোরঘোপ গ্রামের হরিহর নদীর উপর পুররায় নির্মিত ব্রিজটি “গোলাম আলী ফকির ব্রীজ“ নামকরণ করার দাবী।

এলাকাবাসী জানান, মনিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের নাগোরঘোপ গ্রামের হরিহর নদীর উপর ১৩৪৬ বঙ্গাব্দে গোলাম আলী ফকির নির্মান করে ছিলেন ব্রীজ। রাস্তাটিও করে ছিলেন তিনি।

যা ফকির রাস্তা নামে ব্যাপক পরিচিতি।এর পূর্বে ছিল বাসের সাঁকো । গোলাম আলী ফকির যখন ব্রীজ নির্মান করে ছিলেন তখন ১ টাকায় ১৩ জন শ্রমিক পাওয়া যেত আর ৮ থেকে ১০ টাকায় ক্রয় করা যেত এক বিঘা জমি । ব্রীজ নির্মানের সময় ব্যায় হয়েছিল প্রায় ৫হাজার টাকা। ব্রিজের নির্মান সামগ্রী ও শ্রমিক কলকাতা থেকে আনা হয়েছিল বলে জানা গেছে। তখন কলকাতার মাড়োয়ার ব্যাবসায়ী মহল গোলাম আলী ফকির কে দেখতে চেয়ে ছিলেন। এজন্য যে নিজ অর্থে ব্রীজ নির্মান করছে। যা গোলাম আলী ফকির ব্যায়বহুল অর্থ ব্যায় করে ব্রীজ নির্মান করতে সক্ষম হয়ে ছিলেন। সে সময় কার জমিদাররাও এ ধরনের ব্রীজ নির্মান করতে পারেনি যা গোলাম আলী ফকির করে ছিলেন। আজ সেই ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, যশোরের বাস্তবায়নে যশোর মনিরামপুর ৫আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২,২১,২৭,৪০০.০০/ টাকা ব্যায়ে সরকারী ভাবে নির্মিত হচ্ছে ব্রীজটি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি বলেন, পূর্বে যে নামে ছিল সেই নামেই থাকবে নূতন কোন নামকরণ হবেনা। ব্রীজটি নূতন ভাবে নির্মিত হওয়ায় এলাকার মানুষ খুশি তবে ব্রীজটি যেন গোলাম আলী ফকিরের নামে নামকরন করা হয় সেটাই দাবি করছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

উল্লেখ্যঃ গোলাম আলী ফকির কেশবপুরের বেলকাটি গ্রামের একজন আধ্যাতিক সাধক ফকির ছিলেন। তিনি আধ্যাতিক ফকির হিসাবে অনেক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।১৩৬৯ বঙ্গাব্দে ২রা ভাদ্র বেলকাটি গ্রামের নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছিলেন।