সরকার নাটক করছে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে।

34

আগামীকালের মধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা না হলে রোববার থেকে দেশব্যাপী আবারও রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে আয়োজিত মানবববন্ধনে আন্দোলনকারীরা এ ঘোষণা দেন। একই দাবিতে দেশের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়েও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

কোটা বাতিল করে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য প্রজ্ঞাপন আকারে জারির দাবিতে বুধবার সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হতে থাকেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা।

এসময় প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে দেয়া বিভিন্ন শ্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

মিছিল শেষে দাবি সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে হাতে হাত ধরে পূর্ব নির্ধারিত মানববন্ধন করেন হাজারো শিক্ষার্থী। শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হওয়া মানববন্ধন রাজু ভাস্কর্য হয়ে নীলক্ষেত মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এসময় কোটা পদ্ধতি বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করে দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘কোটা নিয়ে সরকার তালবাহানা শুরু করেছে। এটা নিয়ে দুরাভিসন্ধি করে থাকলে ছাত্র সমাজ বসে থাকবে না।’

মানববন্ধন থেকে বৃহষ্পতিবারের মধ্যে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারির আলিটমেটাম দেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘২৮ দিন হয়ে গেলো এখনও প্রজ্ঞাপন জারি হলো না। তার মানে সরকার আমাদের সঙ্গে নাটক শুরু করেছে।’

একই দাবিতে বুধবার সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্যারিস রোডে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় অবিলম্বে কোটা পদ্ধতি বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করা না হলে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী কোটা বাতিল করে প্রজ্ঞাপনের দাবিতে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।