আজিজুর রহমান, কেশবপুর থেকে: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে মহাজোটের প্রার্থীর বিপরীতে জোটের শরীক জাতীয় পার্টির প্রার্থী ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছে। এদিকে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের একক প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোটে নেমে পড়েছে বিএনপি। এ আসনে ৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
আওয়ামীলীগের প্রার্থী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক (নৌকা), বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট মাহাবুব আলম বাচ্চু (লাঙ্গল), জাকের পার্টির শাহিদুজ্জামান শহিদুল (গোলাপ ফুল) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা ইউসুফ আলী বিশ্বাস (হাতপাখা)।
নির্বাচনী এলাকার সর্বত্র মূল প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার পোস্টারে ছেয়ে গেলেও ধানের শীষের পোস্টার তুলনামূলক কম রয়েছে। ইতোমধ্যে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একযোগে মাঠে নেমে সভা সমাবেশ, পথ সভা করে আওয়ামীলীগের প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছে। ফলে দলীয় নেতা কর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, মিছিল করে চলেছে। তারা জোটবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন কর্মীসভা, সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে আসছেন।
১৯৯৬ সালের পর থেকে এ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীই বিজয়ী হয়ে আসছে। এবারও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর। নৌকার বিপরীতে জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট মাহাবুব আলম বাচ্চু (লাঙ্গল) ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেও তাকে এলাকায় মাইকিং ছাড়া এখনও গণসংযোগে দেখা যায়নি। এদিকে, জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ জামায়াতের পূর্ণ সমর্থনে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে বলে দাবি করলেও এখনও জামায়াতের কোন নেতাকর্মীকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। তবে প্রধান দুই দলের নেতাকর্মীরা এক জোট হয়ে কাজ করলে মূলতঃ এ আসনে নৌকা ও ধানের শীষের মূল লড়াই হবে।
সর্বশেষ যে প্রার্থী নারী ও নতুন ভোটারদের মন আকৃষ্ট করতে পারবে তারই জয়ের সম্ভাবনা বেশী বলে ভোটাররা মনে করছে। এ আসনে মোট ভোটার ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৭০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৭ হাজার ১৩৭ জন ও মহিলা ভোটার ৯৬ হাজার ৪৩৩ জন। ৭৯টি কেন্দ্রে এ ভোট অনুষ্ঠিত হবে।



