যশোর-৬ কেশবপুর আসনের নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক বিশাল যুব সমাবেশ অনুুষ্ঠিত

18
যশোর-৬ কেশবপুর আসনের নৌকা বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক বিশাল যুব সমাবেশ অনুুষ্ঠিত

আজিজুর রহমান, কেশবপুর থেকে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এমপি বলেছেন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশের উন্নয়ন না করে লুটপাট করেছে। গত ২০১৪ সালের ১০ম সংসদ নির্বাচনে জামায়াত বিএনপির কর্মীরা বিভিন্ন সড়কসহ আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের বাড়ির সামনে কাঠের গুড়ি ফেলে রাস্তা অবরোধ করে রেখেছিল এবং ভোটারদের বাড়ি গিয়ে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য তাদেরকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেওয়াসহ ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দিয়েছিল।

তারপরও নৌকার বিজয় ঠেকাতে পারেনি তারা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে রোল মডেল হিসাবে বিশ্বে পরিচিত করেছে। আওয়ামীলীগ সরকার বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়। উন্নয়নধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। জামায়াত-বিএনপির নেতা কর্মীরা যেন ভোট কেন্দ্রে যেয়ে ভোট ছিনিয়ে নিতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কেশবপুর আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক বিশাল যুব সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শনিবার সন্ধ্যায় কেশবপুর শহরের পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও পৌর প্যানেল মেয়র বিএম বিশ্বাস শহিদুজ্জামান শহিদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহ্বায়ক আবু সাইদ লাভলুর সঞ্চালনায় আওয়ামী যুবলীগের বিশাল যুব সমাবেশ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম রুহুল আমীন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি ফরিদউদ্দীন চৌধুরী, প্রধান বক্তা যশোর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও যশোর পৌর মেয়র রেন্টু চাকলাদার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল, যশোর জেলা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কাজী রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আনিছুর রহমান বাবু, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম মানিক প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমীর হোসেন,

উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ মন্টু, সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম পিটু, যশোর জেলা পরিষদের সদস্য হাসান সাদেক, সোহরাব হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ রানা, নাসিমা সাদেক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর এবাদত সিদ্দিকী বিপুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি সদস্য গৌতম কুমার রায়, দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী রাবেয়া ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ বেগম, যশোর জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাদিউজ্জামান, যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আনারুল ইসলাম বিপুল, হাবিবুর রহমান হাবিব, শামছুদ্দিন দফাদার, আমজেদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান মুক্ত,

শফিকুল ইসলাম মুকুল, পৌর কাউন্সিলর মফিজুর রহমান খাঁন মফিজ, আব্দুস সাত্তার খাঁন, আঁতিয়ার রহমান, জামালউদ্দীন, মহিলা কাউন্সিলর মনিরা খানম, মেহেরুন্নেছা মেরী, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আফসার উদ্দীন গাজী, সাধারণ সম্পাদক কবীর হোসেন, সাবেক যুবলীগের আহ্বায়ক কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম মানিক, যুগ্ন আহ্বায়ক জাকির হোসেন মুন্না, পলাশ মল্লিক, মহিলা ইউপি সদস্য রেহেনা বেগম,

সাগরিকা রত্না, জুলি বেগম, ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম, কামাল হোসেন, ওলিয়ার রহমান, যুবলীগ নেতা হেলাল, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান, আব্দুল গফুর মোড়ল, রমজান আলী, সাবেক সভাপতি মিজানূর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, ছাত্রলীগ নেতা আবু শাহিন, সবুজ হোসেন নীরবসহ আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা।