সেলিম রেজা, মহেশপুর প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ৪৩জন মুক্তি যোদ্ধাকে কে যাচাই বাছাই করার জন্য জাতীয় মুক্তি যোদ্ধা কাউন্সিল জামুকা থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এলাকার মুক্তি যোদ্ধারা জানান যে সব মুক্তি যোদ্ধাকে যাচাই বাছাই করার জন্য পত্র পাঠানো হয়েছে। যাদের নাম পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে ৮/৯জন মুক্তি যোদ্ধাকে অপমান করা হয়েছে বলে মহেশপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা মনে করেন। যাদের কে অ মুক্তি যোদ্ধা বলে যাচাই বাছাই করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে একজন শহীদ মুক্তি যোদ্ধাও রয়েছে।
শনিবার (৩০ জানুয়ারী) মহেশপুরে একজন মুক্তি যোদ্ধা ফয়জুর রহমান কে সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার শাশ্বতী শীল কে সদস্য সচিব করে যাচাই বাছাই কমিটি করা হয়েছে তারা যাচাই বাছাই করে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। যেসব মুক্তি যোদ্ধাকে যাচাই বাছাই করতে বলা হয়েছে তারা হলেন, শ্যামকুড়ের সুফিয়ান, নাটিমার খলিলুর রহমান, একই গ্রামের শামসুর হক, মহেশপুরের মসলেম উদ্দিন, ফতেপুরের মোতালেব, মান্দারবাড়ীয়ার সানোয়ার রহমান, একই গ্রামের সদ্দোকুর রহমান, জি পান্তাপাড়ার মোজাম্মেল হক, রফিউদ্দিন, খায়রুল আলম, গোলাম মোস্তাফা, শামসুল হক, মনিরুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান, আবুল হোসেন, মোঃমনু মিয়া, হামিদপুরের আসমত আলী, ভাবদিয়ার নুরুল ইসলাম, ভৈরবার আব্দুল লতিফ, সামন্তার বছির আহমেদ, গয়েশপুরের শাহেদ আলী, গোকুল নগরের আব্দুল হক, ডাকাতিয়ার আনছার আলী, শ্যমকুড়ের শাহজান আলী, গুড়দাহ আয়াত আলী, ভালাইপুরের এজাজ উদ্দিন, মান্দারবাড়ীয়ার আব্দুল মালেক, গয়েশপুরের ইদ্রিস আলী, কেশবপুরের আমির হোসেন, শ্যামকুড়ের অহির উদ্দিন, সুন্দরপুরের চাঁন মিয়া, যাদবপুরের আফসার আলী, হাবাসপুরের মতিউর রহমান, মহেশপুরের আবু বকর, ফতেপুরের লোকমান হোসেন, বেড়েরমাঠের আঃ রব, স্বরুপপুরের আব্দুল মালেক, লক্ষিপুরের গিয়াস উদ্দিন, বজরাপুরের তৈয়ব আলী, ফতেপুরের মফিজ উদ্দিন, গকুলনগরের আলী আহম্মদ ও শ্যামকুড়ের আব্দুস সাত্তার।
এ ব্যাপারে যুদ্ধকালীন সময়ের গ্রুপ কমান্ডার ও মহেশপুর উপজেলার সাবেক কমান্ডার আবু তালেব জানান, ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট করা হয়েছে। যে ৪৩জনের নাম এসেছে যাচাই বাছাই করার জন্য তার মধ্যে ৮/৯জন প্রকৃত মুক্তি যোদ্ধা। তার পরও যাদের নাম দেওয়া হয়েছে তারাতো মুক্তি বাত্রা ও ভারতীয় বাত্রাই নাম আছে । তিনি ক্ষভের সাথে বলেন এদেশে রাজাকারের তালিকার মধ্যে ১২০০ মুক্তি যোদ্ধার নাম ঢুকিয়ে তাদের কে অপমান করা হয়েছে। মহেশপুরে যাদের কে অমুক্তি যোদ্ধা বলা হচ্ছে আমি বলবো এটা মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় ও জামুকার ভুল।



