প্রখর রৌদ্রে পায়ে হেটে বিধ্বস্ত গ্রামীণ জনপদ সড়ক পরিদর্শনে সাংসদ বাবু

56

ওবায়দুল কবির সম্রাট, কয়রা : খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের অবহেলিত বিগত ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বেঁড়িবাধ ভেঙ্গে বিধ্বস্ত গ্রামের রাস্তা রমাজানে গ্রীষ্মের প্রখর রৌদ্রে ১০কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করে আগামী সপ্তাহে কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন খুলনা-০৬ কয়রা পাইকগাছা আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু।

সোমবার ১৯ এপ্রিল দুপুরে উত্তর বেদকাশীর কাছারীবাড়ি, কাটমারচর এলাকার ১০ কিলোমিটার রাস্তার এ করুণ অবস্থা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শন কালে সাংসদ আক্তারুজ্জামান বাবু আগামী সপ্তাহে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে রাস্তা কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা শহরের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে গ্রামে। পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নে গ্রামের প্রতিটি সড়ক হবে পাকা। আগে যেসব সড়ক দিয়ে মানুষ হেঁটে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাতো, আগামীতে সেইসব সড়কে চলাচল করবে সবধরনের গাড়ি। সরকারের প্রতিটি সেক্টর এখন গ্রামীণ জনপদের সড়ক উন্নয়নে টেকসই পদ্ধতি গ্রহন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, চলমান গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজসমুহ সমাপ্ত হলেই জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা মোতাবেক আগামীতে কয়রা- পাইকগাছার প্রতিটি জনপদ দৃশ্যমান বদলে যাবে। যোগাযোগ খাতের অভাবনীয় পরিবর্তনে গ্রামের মানুষ পাবে শহরের সুবিধা।

জানা যায়, উপজেলার অবহেলিত গ্রামগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে কাটমারচর গ্রাম। গ্রামটি নদীর পাড়ে হওয়ায় প্রতি বছর বন্যায় আক্রান্ত হয় তাদের যোগাযোগ মাধ্যম রাস্তা। অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর ও ঘনবসতিপূর্ণ এ গ্রামের মানুষ প্রতি বছর রাস্তা মেরামত ও ভঙ্গুর রাস্তা দিয়ে চলাচল করে ক্লান্ত।এ গ্রামে নানা পেশার সহস্রাধিক লোকের বসবাস।উপজেলা সদরসহ জেলা শহরে পাশের গ্রামের মানুষদের আসা-যাওয়া করতে হয় প্রতিদিন গ্রামের এ রাস্তা দিয়ে।

কাছারীবাড়ি, কাটমারচর গ্রামের ভিতর দিয়ে এ গ্রামের ছাড়া অন্যান্য গ্রামের হাজার হাজার মানুষের আসা যাওয়ার এ সহজ রাস্তা দীঘদিন সংস্কার না হওয়াই ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে হাজার হাজার মানুষের। স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরিদর্শনে তার মুখ থেকে আগামী ১০ দিনের ভিতর বিধ্বস্ত রাস্তা সংস্কার, উঁচু ও প্রশস্তকরণের কাজ শুরুর করার আশ্বাসে শান্তির নিঃশ্বাস ফেলে স্থানীয় সংসদকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞা জানান কাটমারচর বাসীসহ পাশ্ববর্তী গ্রামের মানুষ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. কমলেশ কুমার সানা,স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সরদার নূরুল ইসলাম কোম্পানী,জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার,উত্তর বেদকাশী আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গনেশ চন্দ্র মন্ডল,যুবলীগ নেতা এ্যাডঃ আরাফাত হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু,সাধারন সম্পাদক আমিনুল হক বাদল,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম সজীব,জাকারিয়া হোসেন, আওছাফুর রহমান সহ দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।