সর্বশেষ সংবাদ

ঝিনাইদহ সওজয়ের উদাসীনতার কারনেই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা

সাহিদুল এনাম পল্লব, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের ঝিনাইদহ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের থেকে শুরু করে চুতলিয়া মোড় পর্যন্ত সারা বছর সড়ক দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। তারমধ্যে ২০১৮ সালে লাউদিয়া নামক স্থানে ট্রাকের সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয় ও ৪ জন আহত হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলেন লাউদিয়া গ্রামের মাহবুব হোসেন (৪০), হাজেরা খাতুন (২৩), যশোরের বসুন্দিয়া এলাকার আসলাম হোসেন (৩২), আয়েশা খাতুন (২৪) ও অজ্ঞাত এক যুবক (২৫)।

এইটি ছিল এই অঞ্চলের বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা। তাছাড়া প্রায় মাসেই এই সড়কের এই স্থানটি দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে।তাতে নিহত মানুষের সংখ্যা হিসাব করলে ১ বছরে প্রায় ১০/১২ জন হবে। এই দুর্ঘটনার কারন স্বরূপ স্থানীদের অনেকে মনে করে যে লাউদিয়া নামক স্থানে বট তলায় একজন পীরের মাজার ছিল। এক সময়ে প্রশাসন সেই মাজারের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। যার কারনে এই স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেকে এই সমস্ত অন্ধ কুসংস্কার বিশ্বাস করে।

মহাসড়কের এই স্থানটিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় যে সড়কের দুই পাশে মূল এজিং থেকে অনেক নিচু কোন কোন জাইগা এক ফুট পর্যন্ত নিচু। যার কারনে যখন সড়কে দুইটা বড় গাড়ী পাশা-পাশি অতিক্রম করে তখন পাশে কোন জাইগা না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। ঝিনাইদহ সদর বিভাগের উদাসীনতা মূলত এই দুর্ঘটনার মুল কারন।

২০১৬ সালের দিকে সড়ক বিভাগ সড়কের এই অংশে মাটি ভরাটের একটি প্রকল্প হাতে নেই। সরকার প্রকল্পের বরাদ্দ দিলেও সেই প্রকল্পের টাকা তৎকালীন ঝিনাইদহ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আজাদ খান মাটি ভরাট না করে নিজের পকেটে তোলেন। তারপর আর যারাই এসেছে ঐ দিকে কোন খেয়াল করে নি। দিনের পর দিন ঘটে যাচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনা ঝরে যাছে অনেক প্রান খেয়াল দিচ্ছে ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগ।

এই প্রসঙ্গে ঝিনাইদহের সওজের বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের সাথে তার কার্যালয়ে যেয়ে জানতে চাইলে সে বলে যে পূর্বের বিষয়ে আমার জানা নেই তবে এই সমস্যা সমাধান করতে হলে নতুন করে প্রকল্প তৈরি করে পাঠাতে হবে।সেই প্রকল্প পাশ হলে সেটা বস্তবায়ন করা সম্ভব।

error: লাল সবুজের কথা !!