আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি: জমির বিবাদে শাশুড়ির একের পর এক হয়রানিমূলক অভিযোগ ও মানববন্ধন কর্মসূচির নামে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করার হাত থেকে রক্ষা পেতে যশোরের কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমীর হোসেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার দাবি করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ প্রশাসনের একাধিক দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, কেশবপুর শহরের বালিয়াডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকী ওয়ারেশ হিসেবে স্ত্রী, ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে রেখে মারা যান। প্রয়াত আবুবকর সিদ্দিকী কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমীর হোসেনের শ্বশুর। শ্বশুরের মৃত্যুর পর তার শাশুড়ি শাহীদা সিদ্দিকী একমাত্র ছেলে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর ইবাদাত সিদ্দিকী বিপুলের সাথে যোগসাজশে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সব কন্যা সন্তানের সমুদয় পৈত্রিক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছেন।
এরই ধারাবাহিকতায়, তারা আমার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে, ভাতিজা, ভাগ্নে, জামাতাসহ পরিবারের এমন কোন সদস্য নেই যাদের নামে থানায়, আদালতে একাধিক মামলা করেননি। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি আমার শাশুড়ি শাহিদা সিদ্দিকী করোনাকালিন ঝুঁকির মধ্যে আমার বিরুদ্ধে কেশবপুর শহরের মানববন্ধনসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চেয়ে স্মারকলিপি পেশ করেছেন। তাই তিনি, তার শাশুড়ির আনীত অভিযোগটির জরুরি তদন্ত সম্পন্ন করে স্থায়ী নিষ্পত্তির দাবি জানান।এদিকে জামাই আমীর হোসেনের বিরুদ্ধে তার শাশুড়ির শাহিদা সিদ্দিকী নেতৃত্বে গত ১৩ এপ্রিল কেশবপুরে শহরে শহীদ দৌলত বিশ্বাস চত্বরে শ শ নারী-পুরুষ একত্র হয়ে মানববন্ধন করেন। এরপর দুপুরে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমীর হোসেন প্রতিহিংসায় আমার ছেলের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে ফাঁসাতে অহেতুক অস্ত্রবাজ, দাঙ্গাবাজ ও সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করাসহ সংবাদ সম্মেলন করে সমাজে হেয় করেছেন।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম আরাফাত হোসেন বলেন, উভয়ের অভিযোগ পেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।



