কেশবপুরে জমি লিখে না দেওয়ায় আপন ছেলে মা, ভাই ও বোন আহত

29

ছেলেকে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি মায়ের

আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কেশবপুরে জমি জমা লিখে না দেওয়ায় আপন ছেলে মা, ভাই ও বোনকে মারপিট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারপিটের স্বীকার ওই ৩ ব্যক্তি স্থানীয় চিকিৎসা নিয়েছে। এ ঘটনায় রোকেয়া বেগম বাদি হয়ে কেশবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। মা রোকেয়া বেগম তার ছেলে মতিয়ার রহমানকে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলতাপোল গ্রামের মৃত ফজলুর রহমান সরদারের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৭০) অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই মতিয়ার রহমান, তার স্ত্রী সুমি খাতুন, শাহিনারা খাতুন আমাকে দেখা শোনা ও খোঁজ খবর না নেওয়ায় আমি আমার বড় ছেলে আতাউর রহমান (৫০) কে নিয়ে স্বামীর ভিটা বাড়িতে বসবাস করি। তারা আমার আপন ছেলে, মেয়ে ও পুত্রবধূ হওয়া সত্বেও আমাকে ও আমার বড় ছেলেকে মেরে ফেলে আমার স্বামীর সহায় সম্পত্তি ভোগ দখল করার জন্য গভীর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমি আমার বড় ছেলে ও মেঝ মেয়ে তুহিনারা খাতুন (৩৯) এবং ছোট মেয়ে আঞ্জুমনোয়ারা খাতুন (২৫) কে আমার স্বামীর জমিজমা ভাগ বণ্ঠন করে নিয়ে যার, যার মত ভোগ দখলের কথা বললে তারা তা অস্বীকার করে। এরই জন্য আমাকে ও আমার বড় ছেলে এবং মেঝ মেয়েকে বিভিন্ন সময় মারপিট করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ইং ১৯/১০/১৮ তারিখ সকালে আমার থাকার রুমে প্রবেশ করে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে আমার স্বামীর সকল জমি জমা তার নামে লিখে দিতে বলে। আমি আমার স্বামীর জমি জমা তার একার নামে লিখে দিতে অস্বীকার করায় সে বাঁশের লাঠি দিয়ে আমার কোমরে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে ফোলা জখম করে। আমার বড় ছেলে ও মেঝ মেয়ে প্রতিবাদ করলে তারা তাদেরকেও মারপিট করতে উদ্যত হয় এবং আমার বসত ঘরের চেয়ার টেবিল ভাংচুর সহ আমাদেরকে খুন জখমের হুমকিসহ আমার স্বামীর জমিজমা আত্মসাৎ করার জন্য যে কোন মুহুর্তে আমাকে ও আমার বড় ছেলেকে খুন জখম করতে পারে। এ ব্যাপারে মতিয়ার রহমান বলেন, আমি আমার মা, ভাই ও বোনকে মারপিট করেনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। আমার বিরুদ্ধে তারা অভিযোগ নিয়ে হয়রাণী করে চলেছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার এসআই মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে যা পাওয়া গেছে তা মিথ্যা।