কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ভারি বর্ষণে পাঁকা আমন ধানের ক্ষয়ক্ষতি

আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল প্রভাবে ও ভারি বর্ষণ হওয়ায় উপজেলার অধিকাংশ গ্রামে মাঠের পাঁকা আমন ধানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার ফলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।

উপজেলার ব্রহ্মকাটি, বালিয়াডাঙ্গা, সূজাপুর, ব্যাসডাঙ্গা, গড়ভাঙ্গা, পাজিয়া, কলাগাছি, গৌরিঘোনা, হাসানপুর, সাগরদাঁড়ি, জাহানপুর, ত্রিমেহিনী, সাতবাড়িয়া, বেগমপুর, মধ্যকুল এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে খোজখবর নিয়ে জানা গেছে, মাঠের পাকা ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে।

আমন ধানের বাম্পার ফলন দেখা দিলেও শুক্র ও শনিবার ২ দিনে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল প্রভাবে ও ভারি বর্ষণের ফলে কৃষকের পাঁকা আমন ধান একেবারে মাটিতে শুয়ে পড়েছে। অনেক কৃষকরা ধান কেটে মাঠে রাখলেও বর্ষার কারণে ঘরে তুলতে পারেনি। এদিকে কাচা শাক সবজির ক্ষতি হয়েছে বলে অনেক কৃষকরা জানান। উপজেলার ব্রহ্মকাটি গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক মোড়ল, হাকিম সরদার, আজিজ সরদার, ইউনুস আলী সরদার, রামচন্দ্রপুর গ্রামের এয়াকুব আলী সরদার, মাহবুর মোড়ল, ইসলাম মোড়লসহ উপজেলার অনেক কৃষকরা জানান, আমরা আমন ধান রোপন করেছিলাম জমিতে। প্রতিকূলের দূর্যোগ না থাকায় ধানের বাম্পার ফলন দেখা দিয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল প্রভাবে ও ভারি বর্ষণ হওয়ার কারণে পাকা আমন ধান একেবারে মাটিতে শুয়ে পড়েছে। যার কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছি। এদিকে কাচা সবজির ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে উপজেলার অধিকাংশ কৃষকরা জানান।

এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব চন্দ্র সানা বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল প্রভাব ও ভারি বর্ষণ হওয়ায় উপজেলার অধিকাংশ কৃষকের পাকা ধান মাটিতে শুয়ে ক্ষতি হয়েছে।

error: লাল সবুজের কথা !!