আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি :
কেশবপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখবর নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলমগীর হোসেন। তিনি জানান করোনায় আক্রান্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন কেশবপুর পৌরসভার সাহা পাড়া সান্তনা(২৯)উপজেলার বেলকাটি গ্রামের রোজিনা খাতুন(৪৫) ও হাবাসপোল গ্রামের আব্দুল জলিল সরদার(৬৫)।
কেশবপুরে দুইদিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জনকে জরিমানা
কেশবপুরে মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ অমান্য করে দোকানপাট খোলা রাখার অপরাধে দুইদিনে ১৪ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার ২শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
শুক্রবার ও শনিবার উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমএম আরাফাত হোসেন,উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন,সেনাবাহিনী,উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দসহ থানা পুলিশ প্রশসান।
কেশবপুরে খামার থেকে সরাসরি কোরবানির খাসি ছাগল ক্রয় করার সুযোগ
কেশবপুরে করোনা কালীন সময় পশুরহাট না বসায় সরাসরি খামার থেকে সুলভ মূল্যে গরু ও খাসি ছাগল বিক্রয় করা হচ্ছে। উপজেলার সুজাপুর গ্রামের অজিত দাসের ছেলে খামার মালিক শংকর কুমার দাস জানান,তার খামারে ৭০টি খাসি ছাগল রয়েছে সেগুলো তিনি কোরবানি ঈদ উপলক্ষে বিক্রিয় করবেন।
খাসি ছাগল ১০ কেজি থেকে ৫০ কেজি মাংস হবে এমন ছাগলে খামারে আছে। এছাড়া তার গরুর খামার আছে গরুই বিক্রিয় করা হবে। শংকর কুমার দাস আরো জানান,দেশী খাদ্য ও লতাপাতা খাওয়ানো হচ্ছে তার খামার থাকা খাসি ছাগলের।খাসি ছাগল ক্রয় করার পর যদি কেউ ঈদের আগের দিন বা ঈদের দিন খাসি নিতে চান তবে তাদের জন্য সু ব্যবস্থা আছে। আগ্রহী ক্রেতাদের ০১৭১৩৯০০৭৪৯ মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে।
কেশবপুরে অসহায় যুবকের ইঞ্জিচালিত ভ্যান চুরি
আজিজুর রহমান,কেশবপুর(যশোর)প্রতিনিধি:
কেশবপুরে অসহায় এক যুবকের ইঞ্জিচালিত ভ্যান চুরি হয়ে যাওয়ায় দুচিন্তায় ভুগছেন তার পরিবার। উপজেলার ব্রক্ষকাটি গ্রামের নূরুল ইসলাম মোড়রের ছেলে ইঞ্জিচালিত ভ্যান চালক হুমায়ুন মোড়ল জানান,
গত বৃহস্পতিবার ৮ জুলাই দুপুর দুটার দিকে তার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর ভ্যান রেখে সে বাড়িতে খাওয়ার জন্য যায়। খাওয়া দাওয়া শেষে সে রাস্তার উপর এসে দেখে তার ইঞ্জিচালিত ভ্যানটি কে বা কারা চুরি করে নিয়ে গেছে। ভ্যান চুরি হওয়ার পর হুমায়ুনসহ তার পরিবারের লোকজন অনেক স্থানে ভ্যানটি খোঁজাখুজি করেন। কিন্ত কোথায়ও সে ভ্যানটি পায়নি। একমাত্র ভ্যান চালিয়েছে সে সংসার চালাতো। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগের প্রস্ততি চলছে বলে ইঞ্জিচালিত ভ্যান চালক হুমায়ুন মোড়ল জানান।


