কিশোরীকে অপহরণ করে হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারদণ্ড

132

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এক কিশোরীকে অপহরণের পর পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় নূরুল আমীন নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে, আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন। সে উপজেলার গয়ড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গণির ছেলে বলে জানা গেছে।

সোমবার (১০ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক এমজি আযম এক জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৭ এপ্রিল গয়ড়া গ্রামের জনৈকা কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণ করে নূরুল আমীন নামের ওই যুবক। পরে ওই কিশোরী গর্ভবতী হয় পড়ে। এক পর্যায়ে নূরুল আমীন একই বছর ২৮ অক্টোবর কিশোরীকে অপহরণ করে পুড়িয়ে হত্যার পর তার মরদেহ পলিথিনে মুড়িয়ে কলারোয়া সীমান্তের হিজলদী চেকপোস্টের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এদিকে অপহরণের ঘটনার পরের দিন ৮ এপ্রিল কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নূরুল আমীনসহ তাকে সহযোগীতা করার অভিযোগে আব্দুল জলিল, খলিলুর রহমান, রুহুল আমিন, রিপন হোসেন ও খায়রুল ইসলামকে আসামি করে কলারোয়া থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলা নং-১০। তাং ০৮/০৪/২০১২। তবে কিশোরী নিহত হলে কলারোয়া থানার তৎকালিন এসআই গোলাম সরোয়ার ২০১৩ সালের ১৮ আগষ্ট সাতক্ষীরা আদালতে আসামীদের বিরুদ্ধে একটি সম্পুরক চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় পুলিশের দেয়া চার্জশীট ও ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।

সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) এ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।