নিজস্ব প্রতিনিধি : সারা বিশ্ব যখন করোনাভাইরাস মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে। সারা দেশে যখন জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ঠিক তারমধ্যে দু’শ থেকে আড়াই শত মানুষের লোকসমাগম করে আকীকা অনুষ্ঠানের দায়ে জরিমানা সহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অনুষ্ঠান।
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা মিঠাবাড়ি গ্রামের আমিনুর রহমান গোলদারের ছেলে রাসেল গোলদারের বাড়ি শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এ আকীকা অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসনের লোকজন জানতে পেরে তা পণ্ড করে দিয়েছে।

তালা উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার রবিউল ইসলাম জানান, শুক্রবার মিঠাবাড়ি গ্রামের এক আকীকার খবর জানতে পেরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সেনাবাহিনী সহ আকীকা অনুষ্ঠানে হাজির হই। অনুষ্ঠানে ২০০-২৫০ লোকের আয়োজন। তবে দূর থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পেয়ে আয়োজকরা অনেকটাই সাবধান হয়ে গেলো। প্রথমে অস্বীকার করলো। তারা বললো তারা তো জানেই না তাদের বাড়িতে অনুষ্ঠান। পরে সব খাবার খুঁজে পাওয়া গেলো। আয়োজক তার ভুল স্বীকার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আয়োজকদের লুকোচুরি লুকোচুরি খেলার কারনে দুপুর থেকে প্রায় বিকাল গড়িয়ে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযানে।

আয়োজকদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিক ভাবে আদায় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেহমানদের জমায়েত হতে বাধা দেয় হয়, যাতে কোনো মেহমান অনুষ্ঠানে একত্রিত হতে না পারে। মেহমানরা বাড়ির পুকুরের আরেক পাশে দাড়িয়ে দেখে চলে যায়।
![]()
এসময় সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার রবিউল ইসলাম নিজের উদ্যোগে খাবার নষ্ট না করে প্যাকেট কিনে এনে যার বাড়ির অনুষ্ঠান তাকে এবং সেনাবাহিনী দিয়ে প্যাকেট করে এলাকায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে বন্টন করে দেন।



