সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কে মৃত গাছগুলো এখন জনমনের আতঙ্ক!

19
সাতক্ষীরা-আশাশুনি রাস্তার বিভিন্ন স্থানে মরা শিশু গাছগুলো পথচারীদের জন্য আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে- লাল সবুজের কথা

মো: জাবের হোসেন : সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কের বিভিন্ন স্থানে শিশু গাছ শুকিয়ে রাস্তার উপরে দুইপাশ দিয়ে বিপদজনক অবস্থায় আছে দীর্ঘদিন ধরে। এ রাস্তায় চলাচলকারী মানুষদেরকে সবসময় ভয়ের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়, না জানি কখন গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়ে কার উপর!
তবে প্রয়োজনের তাগিদে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে এ রাস্তা দিয়ে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে এ রাস্তার মৃত গাছগুলো। গেলো ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এ সারাদিন টিপ টিপ বৃষ্টি হওয়ায় এ রাস্তার মৃত গাছগুলোর ডাল-পালা ভেঙ্গে ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি হয়।
এ রাস্তার মরা গাছগুলোর ভয়ংঙ্করতা থেকে কবে মুক্তি পাবে পথচারীরা সেটি কেউ জানেনা। গাছগুলোর ডাল-পালা নিয়মিত ভেঙ্গে পড়ার ফলে সামান্য ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছে মানুষের। তবে এর বড় ধরণের ক্ষয়-ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে হলে এখুনি মৃত গাছগুলো অপসারণ করা জরুরি। তা না হলে ঘটতে পারে যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা।

সড়কের কোমরপুর এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম (৩৭) বলেন, আমার বাড়ি চাঁদপুর কালভার্টের আগে কোমরপুরের শেষ সীমানায় একদম রাস্তার পাশে। বাড়ির সাথে রাস্তার মরা বড় বড় গাছের ভয়ে থাকতে হয় কখন না জানি গাছের মরা ডাল পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে গাছগুলো মরা অবস্থায় থাকলেও কেউ এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেইনি। তাছাড়া দীর্ঘদিন গাছগুলো এভাবে থাকার কারনে গাছের বড় বড় ডাল-পালাগুলো অসাধু লোকেরা চুরি করে কেটে নিয়ে যাচ্ছে। জানি গাছগুলো সরকারি কিন্তু আসলে জানিনা কে বা কারা এর দায়িত্বে। তিনি জোর দাবি করে বলেন, দ্রুত গাছগুলো অপসারণ করে এ সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ ব্যাপারে ধুলিহর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান মো: মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, রাস্তার উপরে মরা গাছগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। পথচারীদের যাতায়াতে সবসময় ঝুঁকি থেকে যায়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সমন্বয় সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে ইদানিং দেখছি কে বা কারা যেনো মরা গাছের ডালপালাগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেয় তাহলে খুব ভালো হবে।

এ ব্যাপারে সদ্য যোগদানকৃত সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আজহারুল ইসলাম বলেন, আমি গত বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) যোগদান করেছি। এখনো সবকিছু চিনিনা বা জানিও না। তবে খুব দ্রুতই এসব ব্যাপারে জেনে-শুনে যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান তিনি।