সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্থ বিকাশ এজেন্টদের পাওনা টাকার আংশিক পরিশোধ

10

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত বিকাশ এজেন্টদের পাওনা টাকা ফিরে পাচ্ছে এজেন্টরা। ক্ষতিগ্রস্থ বিকাশ এজেন্টদের পাওনা টাকার আংশিক ইতোমধ্যে পরিশোধ করেছে বিকাশ কোম্পানী। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্থ এজেন্টদের জন্য আগের তুলনায় অতিরিক্ত ২০% এর অধিক কমিশনের ব্যবস্থা করেছে বিকাশ কোম্পানী, এতে বিকাশ এজেন্টরা আরো বেশি লাভবান হবেন।

সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্থ বিকাশ এজেন্টদের জন্য তুফান কোম্পানীর চেয়ারম্যান আলহাজ¦ ডা. মো. আবুল কালাম বাবলা নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের কিছু অনুদান দিয়েছেন। ফলে এজেন্ট এবং গ্রাহকরা এখন থেকে নিরাপদে লেনদেন করতে পারছেন এবং সাতক্ষীরায় বিকাশের চাহিদা আগের মতো ফিরে পাচ্ছে। এখন থেকে যে কোন এজেন্ট পয়েন্টে গিয়ে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা লেনদেন করা যাচ্ছে।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দিনে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন বা ক্যাশ আউট করা যায়। তবে একই হিসাবে দিনে সর্বোচ্চ এক লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) উত্তোলন করা যাবে। অনেক ব্যাংক ও রেমিট্যান্স বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশের মাধ্যমে রেমিট্যান্স দিয়ে থাকে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ‘বৈধ উপায়ে প্রেরিত রেমিট্যান্স নগদ প্রণোদনাসহ সুবিধাভোগীর মোবাইল হিসাবে বিতরণ’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং চ্যানেলে আসা রেমিট্যান্সের অর্থ নগদ প্রণোদনাসহ সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যাংক কর্তৃক সরাসরি সুবিধাভোগীর এমএফএস হিসাবে প্রদান করা যাবে। রেমিট্যান্সের অর্থ ব্যতীত লেনদেনের অন্য সব শর্ত আগের মতোই থাকবে বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শর্ত অনুযায়ী, একই সঙ্গে দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ বারে ২৫ হাজার টাকা তোলা বা ক্যাশ আউট করা যায়। মাসে ২০ বারে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করা যায়। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রবাসীরা এখন ১০০ টাকা দেশে পাঠালে ১০২ টাকা পাচ্ছেন।

বিকাশের সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিবিউটর তানজিম কালাম তমাল বলেন, শুধু টাকা ক্যাশ ইন এবং ক্যাশ আউটই নয়, রেস্টুরেন্টে পেমেন্ট, অনলাইন কেনাকাটায় পেমেন্ট, বিভিন্ন ধরনের ইউটিলিটি বিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি পরিশোধ, রাইড শেয়ারিং সেবা, বাস-ট্রেনের টিকিটের দাম পরিশোধসহ নানা স্থানে বিকাশ পেমেন্ট হচ্ছে। এজন্য বিকাশের সার্বিক সেবা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করা হয়েছে। আর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো গ্রাহক তার প্রয়োজনমতো যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে মুহূর্তেই অ্যাডমানি করতে পারছেন। ফলে যখনই প্রয়োজন, তখনই নিজের টাকা ব্যবহারে আরও বেশি সক্ষমতা পেয়েছে গ্রাহক।