শেষ হলো মধুমেলা 2020

21

কেশবপুর প্রতিনিধি : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য এমপি বলেন, বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার পথ প্রদর্শক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মহাকবি।

মধুসূদন দত্ত উপলব্ধি করেছিলেন মাতৃভাষা ছাড়া প্রতিভা বিকাশ সম্ভব নয়। তাই তিনি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মাতৃভাষায় সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। সেই থেকে শুরু হয় বাংলা সাহিত্যের জাগরণ।কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সপ্তাহ ব্যাপী মধুমেলার শেষ দিনে মধুমেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে ও মধুমেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহানের উপস্থাপনা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মধুমঞ্চে সমাপনী’ ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন পিপিএম, যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. দিলীপ রায়, যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়াীলীগের সভাপতি এস ্এম রুহুল আমীন, দৈনিক ইত্তেফাকের সিনিয়র সাংবাদিক শ্যামল সরকার, অ্যাডভোকেট আবুবকর সিদ্দিক, সহকারী অধ্যাপক রমেশ চন্দ্র মন্ডল, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্তো প্রমুখ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মধুসূদন জন্মোৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি ও যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চ থেকে

আনুষ্ঠানিক ভাবে মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় যশোর জেলা প্রসাশনের আয়োজনে কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ী গ্রামে গত ২২ জানুয়ারি ওই মেলা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মধুসূদন জন্মোৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুসরাত জাহান। লাখো প্রাণের উচ্ছ্বাসে মঙ্গলবার শেষ হলো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ব বৃহৎ উৎসব সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা।

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬ তম জম্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় যশোর জেলা প্রসাশন ওই মেলার আয়োজন করেন। গত ২২ জানুয়ারী থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহ ব্যাপী মধুমেলায় প্রতিদিন সকাল থেকে অধিক রাত পর্যন্ত হাজার হাজার নারী পুরুষ শিশু মেলার মাঠে মধুমঞ্চে মন্ত্রী, এমপি ও দেশ বরেণ্য কবি সাহিত্যিকদের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ যাত্রা, সার্কাস, যাদু প্রদর্শনী দেখে এবং ট্রেন ও নাগরদোলায় চড়ে সময় কাটিয়েছেন। এবারের মেলায় প্রতিটি স্টলেই আগত মধুপ্রেমী দর্শনার্থীদের ছিল উপচে পড়া ভিড়।