সর্বশেষ সংবাদ

মণিরামপুরে এক কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা ॥ কেশবপুরে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি: মণিরামপুরে প্রেমিকাকে ঠকিয়ে প্রেমিক ভারতে চলে যাওয়ার খবর শুনেই কলেজ ছাত্রী প্রেমিকা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এঘটনায় সোমবার মণিরামপুর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে কেশবপুরে ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার আসামিরা কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া গ্রামের বিকাশ পাল তার ছেলে পংকজ পাল, পীর আলীর ছেলে হারুন সরদার, শহিদুল ইসলাম ও একই উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের আব্দুর রহিম এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মণিরামপুর উপজেলার রোজিপুর গ্রামের প্রভাষক সুভাষ হালদার ও স্কুল শিক্ষক গীতা রানী হালদারের মেয়ে কলেজ ছাত্রী সাথী হালদার (১৭) এর সাথে কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া গ্রামের বিকাশ পালের ছেলে পংকজ পাল (১৮) এর সাথে সাথীর প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে উঠে।

সাথীর পিতা সুভাষ হালদার জানান, সাথী হালদার ভবদহ কলেজের এইচএসসির ১ম বর্ষে ছাত্রী। কলেজের যাওয়া আসার সময় সম্পর্কের জের ধরে বুধবার পংকজ পাল তার মেয়েকে খুলনায় নিয়ে একদিন রেখে বৃহস্পতিবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। রবিবার সকালে কেশবপুর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের দুইজন অপরিচিত ছেলে বাড়িতে এসে সাথীকে বলে পংকজকে তার বাবা বিকাশ পাল ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছে। মেয়েকে বুঝিয়ে বাবা কলেজে ও মা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলে যান।

রবিবার বিকেলে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে ডাকাডাকি করেও কোন সাড়া না পেয়ে খুঁজতে গিয়ে দ্বিতল বাড়ির চিলেকোটায় আড়ায় ঝুলতে দেখে। এসময় পুলিশকে খবর দেয়া হয়। সংবাদ পেয়ে যশোরের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার রাকিব হাসান, ওসি রফিকুল ইসলাম, ওসি (তদন্ত) সিকদার মতিয়ার রহমানসহ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সিকদার মতিয়ার রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে ৫ জনের নামে মামলা হয়েছে। তাদেরকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।

error: লাল সবুজের কথা !!