পোড়ার বাজারে অভিনব কায়দায় হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

191

মোঃ মামুন হোসেনঃ অভিনব কায়দায় হাতির পিঠে চড়ে বাজারে বাজারে ঘুরে দোকানগুলো থেকে চাঁদা অাদায় করছে হাতির পিঠে বসা জনৈক ব্যক্তি। ফলে এটি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করে।১৬ই জুলাই সোমবার সকাল ১১ টার সময় একটি হাতির পা পড়ে নগরঘাটার প্রাণকেন্দ্র পোড়ার বাজারে। উক্ত ব্যক্তি হাতিটির পিঠে চড়ে পোড়ার বাজারের অলিগলির প্রায় প্রতিটি দোকানে হানা দেয় চাঁদার জন্য।

দোকানের ভিতরে হাতির লম্বা শূড় ঢুকিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়। আতংকিত দোকানীরা কালবিলম্ব না করেই ১০/২০ টাকা হারে চাঁদা দিয়ে বিদায় করেন হাতিকে। শূড়ে গুঁজে দেয়া চাঁদার টাকা পিঠে বসা ব্যক্তির হাতে তুলে দেয় হাতিটি। চাঁদা দেয়ার বিনিময়ে শূড় উঠিয়ে ব্যবসায়ীদের সালামও দেয় হাতি।

ত্রিশমাইল টু চৌরাস্তা সড়কের উপর চলাচলকারী যানবাহন যেমন, নছিমন, করিমন, মটরভ্যান ও মোটরসাইকেল গতিরোধ করে চাঁদা আদায় করতে দেখা যায়। আবার টাকা দিতে দেরী হলে বা না দিলে হুংকার দিয়ে ভয়ভীতিও দেখানো হয়। হাতির পিঠে চড়ে চাঁদা আদায়কারী যুবক জানায়, এটি তাঁর সার্কাসের হাতি। এখন কোথাও মেলা বা সার্কাস না হওয়ায় টাকার অভাবে হাতিটির খাবার জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই হাতির খাবারের বন্দোবস্ত করতেই মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলছি। কথা বলার এক পর্যায় তিনি ঝাউডাঙ্গার তুজুল পুরের কোন এক মাঠে খেলা দেখাচ্ছেন বলে স্বীকারোক্তি দেন। দোকানদারসহ মানুষের কাছ থেকে এভাবে টাকা তোলা ‘চাঁদাবাজি’ নয় দাবি করে ঐ যুবক জানায়, মানুষ স্বেচ্ছায় প্রাণীটির খাদ্যের জন্য টাকা পয়সা দান করেন। ছবি তুলে নাম জানতে চাইলে তিনি আর কোন কথা না বলে স্থান ত্যাগ করেন।

এদিকে বাজারে দোকানে দোকানে হাতিতে চড়ে চাঁদা আদায়ের খবর পেয়ে বাজারসহ আশপাশের গ্রামের ছোট-ছোট ছেলেমেয়েরা হাতির পিছে ছুটতে থাকে।