পাগলা কুকুরের উপদ্রবে দখল করছে সড়ক ও জনপথ, আতংকিত জনসাধারণ

124

বিশেষ প্রতিবেদক : সারা দেশের ন্যয় সাতক্ষীরার কলারোয়া’ও আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে বেওয়ারিশ/পাগলা কুকুরের উপদ্রব।

এর ফলে ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছে জনসাধারণ। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন যায়গায় ওই সব বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদাসীন রয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই।

ওই সব পাগলা কুকুরের দল ফুটপাথ, সড়ক ও বাজার কেন্দ্রিক এবং গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন যায়গায় বিচারন করছে এলোপাতাড়ি ভাবে সকল বয়সী মানুষকে আতঙ্কিত করে। তবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে বেওয়ারিশ কুকুরগুলো নিধন জরুরি বলে স্থানীয় এবং কুকুরের আক্রমণের শিকার হওয়া ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। উপজেলাসহ ১২টি ইউনিয়নেই তার ব্যপক চলাচল দেখা যায়। উপজেলার দেয়াড়ার খোরদো ব্রিজসহ অন্যান্য ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে,শত শত পাগলা কুকুর এদিক-ওদিক ঘুরছে এলোপাতাড়ি ভাবে। খাদ্য সন্ধানী ওই সব কুকুর পাগলা হয়ে একাধিক মানুষকে আহত করেছে কামড়িয়ে বলে জানা গেছে।

জানা যায়,কেউবা সখের বসে বাড়িতে পোষার কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে আবার এলোপাতাড়ি ভাবেই বিভিন্ন যায়গায় বেড়ে উঠেছে চিরাচরিত নিয়মানুসারে ওই কুকুরগুলো ।যার কারণে আতঙ্কিত হচ্ছে জনসাধারণ। অধিকাংশ কুকুর পাগলা হয়ে মানুষকে কামড়িয়ে হাজার হাজার অর্থ খোয়াতে হয়েছে চিকিৎসাক্ষাতে বলে জানান অনেকেই।

শিশু থেকে বৃদ্ধ এমনকি বাইসাইকেল, মটরসাইকেল ও অন্যান্য ছোট খাটো যান চালানো অবস্থায় পথচারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার কথাও জানা গেছে। এছাড়াও হাস মুরগি গরু ছাগলসহ অন্যান্য প্রাণীদের আহত করছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। উপজেলার দেয়াড়াস্থ বাসিন্দা জৈনেক্য মোঃ ইমরান হোসেন নামের একজন বলেন,সম্প্রতি ওই পাগলা কুকুরে কামড়ানোর কারণে তাকে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

আহত হয়ে চার – পাঁচ হাজার টাকা খরচ করতে হয় তাকে চিকিৎসায় সুস্থ হতে বলে জানান তিনি। কিন্তু এখনো শারীরিক অস্বস্তি ও কুকুরের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পথ চলতে হয় বলে জানান তিনি। তাছাড়া গ্রামাঞ্চলে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে না হলেও,পাগলা কুকুরের উপদ্রবে ছোট্ট বড় ব্যক্তিকে আতঙ্কে পথচলতে হচ্ছে বলে জানান অনেকেই। সেই সাথে কুকুরকে দেখলেই আতঙ্কে পথ চলতে হচ্ছে বলে জানান পথচারীরাও। উপজেলার খোরদো বাজার মিষ্টি ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন,কুকুরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। চলতি পথে কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাজারে চলাচল করতে আতঙ্কিত হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

শহরাঞ্চলে কুকুর নিধনের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয় জানামতে।  সেহেতু গ্রামাঞ্চলেও ওই ব্যবস্থা চালু হলে পাগলা কুকুর থেকে রক্ষা পেতো সকল প্রকার মানুষ বলে মনে করেন তিনি।

একাধিক চিকিৎসকদের মতে, পাগলা হওয়া কুকুরগুলো জনজীবনে বড়ই হুমকি স্বরূপ। একাধিকবার কোন ব্যক্তিকে কামড়লে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে কষ্টকর হয়। তাছাড়া কোনো গরু ছাগলকে কামড়ালে তারাও কুকুরের মত আচরণ করতে বাধ্য হয় পাগলা কুকুরের বিষের যন্ত্রণায় এমনকি মানুষও একই আচরণ করে ।যেটা জলাতঙ্ক রোগ বলে জানান তারা।

এছাড়াও উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নসহ সারা দেশে কুকুরের আক্রমণে মারাত্মক ভাবে আহত হতে হয় শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সী মানুষের বলেও বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায় ।

পাগলা কুকুরের উপদ্রবে সকল বয়সী মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত ও আতঙ্ক থেকে রক্ষা করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে – সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা ।