পর্ব ১ : ঝিনাইদহে নারীদেহ লোভী অর্থ প্রতারক সুকান্ত মজুমদার কাহিনি

91
ঝিনাইদহে নারীদেহ লোভী অর্থ প্রতারক সুকান্ত মজুমদার কাহিনি

সাহিদুল এনাম পল্লব: গত ২৩ শে জানুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের লক্ষ্মীখোল এলাকা থেকে গ্রেফতার হল বহু ঘটনার জন্মদাতা নারী দেহ লোভী এবং বিভিন্ন মানুষের চাকুরীর লোভ দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক সুকান্ত মজুমদার(৪৮)কে। বহু ঘটনার জন্মদাতা ঝিনাইদহ শহরের পবোহাটিতে বসবাস রত সুকুমার মজুমদারের ছেলে সুকান্ত মুজমদার কত যে মুসলিম নারীর প্রেমের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে তাদের শরীর ভোগ করে পথে বসিয়েছে তার হিসাব নেই। এখানেই শেষ না বিভিন্ন মানুষের চাকুরীর দেবার কথা বলে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। সুকান্তের জন্ম নিবাস শৈলকূপা উপজেলার ১০নং বগুড়া ইউনিয়নের বগুড়া গ্রামে।

তাদের একজন ভুক্তভোগী নারী মনোয়ারা খাতুন(৪২)। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। মনোয়ারা জানায় সে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা গ্রামের আক্কাস উদ্দিনের মেয়ে। ২০১০ সালে ঝিনাইদহ শহরের আরাপ পুরে অবস্থিত সেবা ক্লিনিকে চাকুরীর সুবাদে পরিচয় হয় সুকান্তের সাথে।সুকান্ত আমাকে জানায় আমি যদি তাকে বিবাহ করি তাহলে সে মুসলমান হয়ে যাবে। আমি তার কথায় তার সাথে ভালবাসার জালে জড়িয়ে পড়ি। আমাদের দুই জনের ভালবাসার সুত্র ধরে ১৩/০৮/২০১৩ সালে তার সাথে একদিন কুষ্টিয়া বেড়াতে নিয়ে যায়। বেড়াতে যেয়ে একটি মন্দিরে নিয়ে জোর করে বিয়ে করে আমাকে সিঁদুর পরায়ে তার এক আত্মীয় বাড়িতে নিয়ে যেয়ে শাররিক মেলা মেলা মেশায় বাধ্য করে।যার কারনে আমি তাকে স্বামী হিসাবে মেনে নিতে বাধ্য হয়।

কিন্ত সে আর মুসলিম হয় না।ঘটনার পর আমারা ঝিনাইদহ শহরের বসবাস শুরু করি। বিভিন্ন ভাবে সে আমার নিকট থেকে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা নিয়েছে। ঘটনায় পর ২০১৪ সালের আমাকে করাতি পাড়ার একটি বাড়িতে নিয়ে যেয়ে সুকান্তের মা,বাবা,মামা থেকে জোর করে একটি সাদা স্ট্রামে স্বাক্ষর করে নেয়। তখন জানতে পারি তার বউ এবং ২ ছেলে মেয়ে আছে। তারপর তার সাথে এক বছর আমার আর সম্পর্ক ছিল না। ২০১৫ সালের মার্চ মাসের ৬ তারিখে আবার আমার সাথে তার সম্পর্ক হয়। আমারা আবার এক সাথে বসবাস শুরু করি। ২০১৬ সালের দিকে আমাদের একটি ছেলে হয়।

ছেলে জন্মের পর সে আবার আমার সাথে খারাপ আচারন শুরু করে এবং ২ লক্ষ টাকা দাবী করে আমি সেই টাকা দিতে পারছিনা। ছেলে আমার সাথে থাকে। আমি মুসলিম ও হিন্দু আজ আমার ছেলের কি ধর্ম হবে ? ঘটনার বিচার চেয়ে আদালতে মামলা করেছি সেই মামলায় সুকান্ত কে গ্রেফতার করেছে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশ। আমারদের সাথে থাকুন সুকান্তের বাকি কাহিনি জনাতে।