পটুয়াখালীতে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা!

51

মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন, পটুয়াখালীঃ

পটুয়াখালীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ছাতার মত গড়ে উঠছে অবৈধ ইটেভাটা।চলছে অবৈধ ইটভাটার জমজমাট বাণিজ্য। ইট ভাটার কালো ধোঁয়া প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটাচ্ছে এসব ইটভাটার মালিকরা।এতে হুমকি মুখে পরেছে পরিবেশ ও জন জীবন। সরকারী আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে ইটভাটা মালিকগন চালিয়ে যাচ্ছে অবাধে তাদের রমরমা বাণিজ্য।

উক্ত প্রচলিত আইনকে তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন প্রশাসনের চোখের সামনে ইট ভাটা চালাচ্ছে এসব ইটভাটার মালিকরা। শুধু তাই নয় টিনের চিমনি নয় বনের কাঠ,কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি ব্যবহার করে আইনের নীতিমালা লঙ্ঘন করছে এসব ইটভাটা মালিকরা। অবৈধ ইটভাটায় টিনের ড্রামের চিমনি ব্যবহার করার কারণে পরিবেশের সবচেয়ে বড় বিপর্যয় নেমে আসছে দিনবাদিন।

এছাড়াও দেখামেলে ইটভাটায় কয়লার ব্যবহার থাকলেও বেশিরভাগ ভাটার ব্যবহুত হচ্ছেনা কয়লা।

দেখাযায়, ইট তৈরির জন্য ভাটা স্থাপনসংক্রান্ত একটি আইন দেশে কার্যকর রয়েছে। আইনটির নাম ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন’। সেই আইন অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া ইট তৈরি করার সুযোগ নেই। লাইসেন্স ছাড়া কেউ ইটভাটা চালু করলে শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

এ জন্য অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা দুই দণ্ডনিয় বিধান রয়েছে।

এব্যপারে স্থানীয় জনসাধারণের কাছে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক বলেন,ইটভাটাগুলোতে বেশিরভাগই ব্যবহার হচ্ছে লাকরী,তাতে উজার হচ্ছে বন। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষি আবাদী জমি।

এনিয়ে একাধিক ইটভাটার মালিকদের সাথে কথা বলতে গেলে তারা জানায়,করোনার প্রদুভার্বের কারণে এমনিতেই অনেক চসে আছি। আর ইটভাটা চালোনোর কথা বলছেন আমরা সবকিছু ম্যানেজ করেই ভাটা পরিচালনা করি। এমনটাই জানান তারা।

এবিষয় পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন মরিচ বুনিয়া ইউনিয়নে,,, ব্রিকর্স এর মালিক বর্তমান চেয়ারম্যান মো,বশির সিকদারের মুঠোফোনে ০১৭৩০-৯২৫২৪২ নাম্বারে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ইটভাটায় কয়লা না কাঠ ব্যবহার করছে তা আমার জানানেই। ভাটা আমার হলেও আমি এসবের কিছুই জানিনা আমার ম্যানেজার ভাল বলতে পারবে। এছাড়াও তিনি আরো বলেন,করোনায় মানুষ খাইতে পারে না আমার ভাটায় এক দেড়শ শ্রমিক কাজ করে খায় আমি গরীবের পাশে। এছাড়াও প্রতিনিধিকে কৌশলে ম্যানেজের চেষ্টা চালায়।