দেড় কোটির পর এবার ৬২ লাখ টাকা মেরে দিলেন উপপরিচালক

এবার ১৬টি ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬২ লাখ ৭২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালকসহ তিনজন।

এ ঘটনায় বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিলেটের সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনজুর আলম চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম, সাবেক হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুস আটিয়া ও মালামাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমএস এন্টাপ্রাইজের মালিক মির্জা এসএম হোসেন ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে এ মামলার আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের সমন্বিত সিলেট জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নুর-ই-আলম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলাটি অধিকতর তদন্ত করে চার্জশিট দেবে দুদক।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হাসপাতালের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এমএসআর সামগ্রী ও বিবিধ মালামাল কেনার জন্য মেসার্স এমএস এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। সে অনুযায়ী এমএস এন্টারপ্রাইজ মালামাল সরবরাহ করে। হিসাবের কোড নং ৩-২৭৪০-০০৬০-৪৮৬৮ এর বিপরীতে ছয়টি বৈধ বিলের সঙ্গে ১৩টি ভুয়া বিল এবং হিসাবের কোড নং ৩-২৭৪০-০০৬০-৪৮৯৯ এর বিপরীতে আটটি বৈধ বিলের সঙ্গে তিনটি ভুয়া বিল দাখিল করা হয়।

বিলগুলো পর্যালোচনা ও তদন্ত করে বিষয়টি নিশ্চিত হয় দুদক। বিলগুলো তৈরি করেছেন ছুটিতে থাকা হাসপাতালের হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুস আটিয়া। বিলগুলো পাস করেছেন সাবেক উপপরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম। বিলগুলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমএস এন্টারপ্রাইজের মালিক এমএস হোসেন বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ অফিসে দাখিল করেছেন। বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে বিলগুলো পাস হওয়ার পর এসব টাকা তিনজন মিলে আত্মসাৎ করেছেন।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, শুধু টাকা আত্মসাৎ করেই থেমে থাকেননি অভিযুক্তরা। ১৬টি বিল ও বিল পাস করার নোটিশটিও গায়েব করে দিয়েছেন তারা। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এ ব্যাপারে দুদকের সিলেটের সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নুর-ই-আলম বলেন, সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে ২০১৮ সালের ২১ মে হাসপাতালের দেড় কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের ঘটনায় এই তিনজনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। চলতি মাসের ১১ নভেম্বর আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। চার্জশিটে হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম, সাবেক হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুস আটিয়া ছাড়াও আটিয়ার ছেলে আরিফ আহমেদ ও ঢাকার কাকরাইলের মেসার্স প্রাইম এন্টারপ্রাইজের মালিক জাকির হোসেনকে অভিযুক্ত করা হয়।

তারা চারজন পরস্পর যোগসাজশে দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এদের মধ্যে সাবেক উপপরিচালক ডা. আব্দুস সালাম ও হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুছ আটিয়া সরকারি চাকরি থেকে ইতোমধ্যে অবসর নিয়েছেন। পাশাপাশি আব্দুস সালাম ওই মামলায় জেলহাজতে রয়েছেন। বাকি তিনজনকে গ্রেফতারের আগেই ৬২ লাখ টাকা আত্মসাতের খবর পাওয়া গেল।

সূত্র : জাগো নিউজ

এন এইচ, ২৮ নভেম্বর

নিশ্চিত হয় দুদক। বিলগুলো তৈরি করেছেন ছুটিতে থাকা হাসপাতালের হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুস আটিয়া। বিলগুলো পাস করেছেন সাবেক উপপরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম। বিলগুলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমএস এন্টারপ্রাইজের মালিক এমএস হোসেন বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ অফিসে দাখিল করেছেন। বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে বিলগুলো পাস হওয়ার পর এসব টাকা তিনজন মিলে আত্মসাৎ করেছেন।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, শুধু টাকা আত্মসাৎ করেই থেমে থাকেননি অভিযুক্তরা। ১৬টি বিল ও বিল পাস করার নোটিশটিও গায়েব করে দিয়েছেন তারা। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এ ব্যাপারে দুদকের সিলেটের সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নুর-ই-আলম বলেন, সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে ২০১৮ সালের ২১ মে হাসপাতালের দেড় কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের ঘটনায় এই তিনজনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। চলতি মাসের ১১ নভেম্বর আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। চার্জশিটে হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম, সাবেক হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুস আটিয়া ছাড়াও আটিয়ার ছেলে আরিফ আহমেদ ও ঢাকার কাকরাইলের মেসার্স প্রাইম এন্টারপ্রাইজের মালিক জাকির হোসেনকে অভিযুক্ত করা হয়।

তারা চারজন পরস্পর যোগসাজশে দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এদের মধ্যে সাবেক উপপরিচালক ডা. আব্দুস সালাম ও হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুছ আটিয়া সরকারি চাকরি থেকে ইতোমধ্যে অবসর নিয়েছেন। পাশাপাশি আব্দুস সালাম ওই মামলায় জেলহাজতে রয়েছেন। বাকি তিনজনকে গ্রেফতারের আগেই ৬২ লাখ টাকা আত্মসাতের খবর পাওয়া গেল। সূত্র : জাগো নিউজ

error: লাল সবুজের কথা !!