সর্বশেষ সংবাদ

দেবহাটা আওয়ামীলীগের প্রান, সখিপুরের চেয়ারম্যান রতন

কে,এম,রেজাউল করিম দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা আওয়ামীলীগের প্রান পুরুষ, উপজেলার জন্মলগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দলের প্রয়োজনে জীবন বাজি রেখে দলকে সুসংগঠিত করতে যারা নিবেদিত প্রাণ, তাদের মধ্যে নিঃসন্দেহে এগিয়ে দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক, দেবহাটা উপজেলার ৩ নং সখিপুর ইউনিয়নের সুযোগ্য চেয়ারম্যান, সাংবাদিক সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি সদা শ্রদ্ধাশীল জনাব শেখ ফারুক হোসেন রতন।

২০১৩ সালের জামায়াত- বিএনপির সন্ত্রাসী তান্ডবলীলার কাছে যখন সারা দেশবাসীর ন্যায় দেবহাটা উপজেলা বাসী জিম্মি, তখন এই সংগ্রামী নেতার সাহসী ভুমিকা আর গতিশীল নেতৃত্বে দেবহাটার রাজপথ ছিল আওয়ামীলীগের দখলে। তাইতো জামায়াত শিবিরের নির্মম আর নিষ্ঠুর আঘাতের পরে মৃত বলে ফেলে রাখা এই মহান নেতা মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসেন শতশত মানুষের দোয়া আর ভালোবাসার কারণে।

একটু সুস্থ হতেই আবারও এই আওয়ামীলীগ পাগল নেতা দলকে সুসংগঠিত করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। মানুষের সেবার ব্রত নিয়ে আত্মনিয়োগ করা এই মানুষটি গণমানুষের ভালোবাসা আর বিপুল সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হন সখিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। কলেজ জীবনে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, তারপর ধাপেধাপে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অবশেষে জনপ্রতিনিধি। যে ত্যাগী নেতাকে সন্ত্রাসীরা মেরে জখম করেছিল, রাখে আল্লাহ মারে কে, সে এখন চেয়ারম্যান।উপজেলায় তিনি আওয়ামীলীগের একজন সাহসী প্রবীণ নেতা। তাকে মেরে দেবহাটা উপজেলা থেকে আওয়ামী রাজনীতি শেষ করার চেষ্টা করেছিল শক্ররা।

সে সময় এমন এক পর্যায়ে গিয়ে ছিল,তখন প্রায় মানুষ বলেছিল কারা এভাবে মেরে মায়ের কোল খালি করতে চেয়েছিল।আল্লাহ মানুষ হয়ে এই ভাবে মানুষ কে আঘাত করতে নেই। সে সময় মানুষ তার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করে চোখের পানি ফেলে বলেছিল আল্লাহ আপনি রক্ষা করার মালিক, আল্লাহ রক্ষা করেন আমাদের প্রাণ প্রিয় গণমানুষের নেতাকে।যে যত বড় অপরাধী হোক তার ন্যায় বিচার সঠিক ভাবে আল্লাহ আপনি করবেন।

এই ভাবে ফারুক হোসেন রতনের জন্য মানুষ দোয়া কামনা করেছিল। মানুষ মানুষের জন্য। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আ ফ ম রুহুল হক এমপি স্যারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ফারুক হোসেন রতন ভালো ও উন্নত মানের চিকিৎসা সেবা পেয়ে আল্লাহর রহমতে মা ও বাবার এবং সকলের দোয়ায় সুন্দর পৃথিবীতে রয়েছে। তিনি জনগনের গনভোটে এই সরকারের আমলেই সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছে। ফারুক হোসেন রতন জনপ্রতিনিধি হয়ে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তার ইউনিয়নের সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া। উন্নয়েনর । ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের প্রায় সময় খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। চেয়ারম্যান হয়ে গরীব অসহায় মানুষের খোঁজ নিয়ে তাদের কে সরকারি উপকারভোগের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

সখিপুর ইউনিয়নের আঃ সেলিম, আকবার,জাফর, ফারুক, সাংবাদিক মামুন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুর রব লিটু, কাছে ছালাম বিনিময়ের মধ্যে দিয়ে জানতে চেয়েছিলাম, ভাই আপনাদের ফারুক হোসেন রতন চেয়ারম্যান কেমন? তখন তারা জানিয়েছিলেন, ভাই চেয়ারম্যান খুবই ভালো মানুষ। পরিষদে যেয়ে তার কাছে কোন বিষয় কথা বলতে চাইলে মনযোগ দিয়ে কথা শোনেন।

প্রশ্নের এক পর্যায়ে অনেকেই সাংবাদিক কে,এম,রেজাউল করিম কে জানিয়েছিল রতন চেয়ারম্যানের কথা।অনেকের কাছে চেয়ারম্যানের বিষয় জানতে চাওয়া হয়। একটাই কথা বলেছিল মনে করতাম সে একটু রাগী চেয়ারম্যান হলে কি হবে কি’জানি। চেয়ারম্যান হয়েছে সকলের সাথে ভালো কথা বলেন যাহা ভেবেছিলাম তা কিছুই না। থাকতে পারে রাগ সে মানুষকে ক্ষতি করবে এমন ধরনের কোন আলামত নেই। কিন্তু তার রাগ থেকে কি হবে? সে কোন দিন কারোর উপর সন্ত্রাসীর ন্যায় আক্রমন করিনি। কারোর উপর অত্যাচার করিনি। কি দরকারে সে একজন মানুষ হয়ে অযথা মানুষের উপর আক্রশ দেখাবে? তিনি আক্রোশ দেখালে ও খারাপ হলে কোন দিন চেয়ারম্যান হতে পারতো না। সে ভালো তাই ভোট দিয়েছেলাম এবং সে চেয়ারম্যান হবে এই চেষ্টায় ছিলাম। ফারুক হোসেন রতনের কথা জানা গেছে। শক্ররা অস্ত্রদিয়ে, লাটি পেটা করে, গুলি করা সহ-বিভিন্ন কৌশলে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

আপনাদের সংবাদ লেখনের মাধ্যমে এক ভয়াবহ মুহুর্তে পারুলিয়ার মাটিতে দাড়িয়ে ফারুক হোসেন রতন ও আওয়ামীলীগের প্রবীন নেতা মোঃমনিরুজ্জান মনি।সকল সাংবাদিকের প্রতি শ্রদ্ধাজানিয়ে ধন্যবাদ ও বাহবা জানিয়ে ছিল ও সাংবাদিকের প্রতি খুবই শ্রদ্ধাশীল। এক মাত্র রক্ষা করার মালিক আল্লাহ।আল্লাহ রক্ষা করলে কে মারতে পারে? আল্লাহ বড় সন্মান বাড়িয়ে দিয়েছে ।

ফারুক হোসেন রতন চেয়ারম্যান হয়েছে। তিনি মানুষ কে যে সহায়তা আর উন্নয়ন দেখাচ্ছেন তা মানুষের কল্পনার বাইরে।পরিষদে গেলেই মুসলমানদের প্রথমে সালাম দেই, অন্যরা কেমন আছেন জানেন আর তার সার্বিক অবস্থার খবর নেন। তার সদয় আচরন ও ব্যবহারে ইউনিয়নের প্রায় মানুষ সন্তষ্ট।

অনেকেই জানিয়েছেন ফারুক হোসেন রতন চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ইউনিয়নে ভালো কাজ হওয়ায় তাকে স্বাগতম। দলকে সুসংগঠিত আর গতিশীল করার জন্য তার বিকল্প নেই। এই প্রানপ্রিয় নেতা যুগযুগ ধরে আওয়ামীলীগের সেবক হয়ে দেশবাসীকে নিরন্তর সেবা আর সহযোগিতা করে যাবে, এটা ইউনিয়ন বাসী, এলাকাবাসী, সর্বোপরি উপজেলা বাসীর একান্ত চাওয়া আর বিশ্বাস রতন চেয়ারম্যান বেঁচে থাকলে এ চাওয়া পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ।

error: লাল সবুজের কথা !!