সর্বশেষ সংবাদ

তালায় জমির মালিকদের হারির টাকা না দিয়ে জোর পূর্বক মাছ চাষ করছে

এসএম বাচ্চু,তালা(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: তালায় জমির মালিকদের হারির টাকা না দিয়ে জোর পূর্বক এক ঘের ব্যবসায়ী মাছ চাষ করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘেরের পানি সেচ না দেওয়ায় কৃষকরা ইরি-বোরো ধান চাষ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
হারির টাকা পরিশোধ না করা ও সময় মত ঘেরের পানি সেচ করে কৃষকদের ধান চাষ করতে না পারায় ঘের মালিকের বিরুদ্ধে জমির মালিকরা বিক্ষোভ করেছেন। যার কারণে গত ২০ মার্চ শহীদ হোসেনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী জমির শত-শত জন মালিক বিলের পাশে বিক্ষোভ করে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তালা উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের বাগের বিলে প্রায় ২০০ জন কৃষকের প্রায় ৬ শত বিঘা জমি রয়েছে। ওই বিলটি কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী শহীদ হোসেনের কাছে হারির মাধ্যমে লিজ প্রদান করা হয়। সে সময় নিয়মিত হারির টাকা পরিশোধ ও সময় মত ঘেরের পানি সেচ করে ধান চাষের ব্যবস্থা করে দেয়ার কথা থাকলেও প্রভাবশালী ঘের ব্যবসায়ী শহীদ হোসেন এখনও পর্যন্ত কৃষকের হারির টাকা পরিশোদ না করা এবং ঘেরের পানি সেচ না দিয়েও ঐ বিলের অর্ধশতাধিক কৃষকের ধান চাষ সম্ভব হয়নি।

হারির টাকা চাইলে তিনি টাকা না দিয়ে জমির মালিকদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন। এদিকে ঐ ঘেরের কারনে পূর্ব বিলে ৪০০ বিঘা জমির ফসল পানিতে তলিয়ে লাখ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হচ্ছে। কচুর ডাঙ্গী ও নাওখালী খালের মুখে পাকা পুল দিয়ে পনি নিষ্কাশন পথ মাটি ভর্তি বস্তা দিয়ে বন্ধ করে মাছের ঘের করেছে ব্যবসায়ী শহীদ। ফলে প্রতি বছর বিল পাড়ের ৭ গ্রামের ২০০ হাজার বিঘা জমির ফসল সহ শতাধিক বাড়ি পনিবন্দি হয়ে পড়ে। হারির টাকা না দেওয়া, জমিতে ফসল করতে না পারা, পানিবন্ধী জীবন যাপন করা নিয়ে এলাকা বাসিরা ফুসে উঠেছেন।

এ ব্যাপারে ঘের ব্যবসায়ী শহীদ হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন টা রিসিভ করেনি। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

error: লাল সবুজের কথা !!