ডা. রুহুল হক এমপিকে সাতক্ষীরার গণমানুষ আবারও মন্ত্রী হিসেবে পেতে চায়

222
ডা. আ ফ ম রুহুল হক

তরিকুল ইসলাম লাভলুঃ সাতক্ষীরা-৩ আসন থেকে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সদ্য অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও মহাজোট মনোনীত সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বিশ্ববরেণ্য শৈল্য চিকিৎসক, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী, আধুনিক সাতক্ষীরার রুপকার, সাতক্ষীরার ২২ লক্ষ গণমানুষের নয়নের মণি অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপিকে সাতক্ষীরার স্বর্বস্থরের জনগণ পুনরায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।
সাতক্ষীরার গণমানুষের একটাই দাবী, একজন ডা. রুহুল হক ২২ লক্ষ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের কারিগর। সুতরাং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপিকে মন্ত্রী হিসেবে বসিয়ে দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ দেওয়া হোক। পাশাপাশি বিদেশ থেকে উন্নত প্রযুক্তির সমস্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত সহ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আমদানী করে দেশের অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হোক।

উল্লেখ্য, ডা. রুহুল হক এমপি ২০০৮ সালে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ৫ বছর সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তার প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। এর আগে অবহেলিত সাতক্ষীরার বুকে কেউ এমন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগাতে পারেনি। বিশেষ করে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২২ লক্ষ অবহেলিত মানুষের দৌড়গোড়ায় তার প্রচেষ্টায় স্থাপিত হয়েছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ। বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন তিনি। তার প্রচেষ্টায় কালিগঞ্জের নলতায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করেছেন। তিনি ঢাকাতে অবস্থান করলেও এলাকার মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত আছে তাঁর যোগাযোগ।

এছাড়াও তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়ে দেশের জন্য এমডিজি পুরষ্কারসহ বেশ কিছু ইন্টারন্যাশনাল পুরষ্কার বয়ে এনেছেন। দেশের স্বাস্থ্য সেবা সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো করেছেন সক্রিয়। আজ সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছে। তাছাড়া তিনি দেবহাটা,আশাশুনি এবং কালিগঞ্জে প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ, ২৬ টি সাইক্লোন শেল্টার, একাধিক আশ্রয়ণ প্রকল্প,ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, আশাশুনি ও দেবহাটায় ২ টি কলেজ ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংস্করণ, অসংখ্যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন ভবন নির্মান করণ, দেবহাটায় অত্যাধুনিক থানা ভবন নির্মান, আশাশুনি ও কালিগঞ্জে দুইটি ১০ শষ্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মান, বড়দল সেতু, মানিকখালি সেতু, তেতুঁলিয়া সেতু, শোভনালী সেতু, বাঁশতলা সেতুসহ অসংখ্যা ব্রীজ-কালভার্ট তৈরিকরণ, সাতক্ষীরা বাইপাস ও আশাশুনি বাইপাস তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আজ দৃশ্যমান, যুব উন্নয়নের মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান করাসহ অসংখ্যা উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান। বিশেষ করে বর্তমান তাঁর বিশেষ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সাতক্ষীরায় আইটি পার্ক, বিশ^বিদ্যালয়, রেললাইন ও পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম করতে চান তিনি। তাই আগামীতে এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সাতক্ষীরা-৩ আসনের মানুষ আবারও রুহুল হক এমপিকে পূনরায় মন্ত্রী হিসেবে পেতে চায়।

সাতক্ষীরা জেলার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়,সারা বাংলাদেশ তথা সাতক্ষীরার যে মানুষ তাদের প্রেরনা দায়ক, যিনি স্বপ্ন দেখেছেন সুষ্ঠু-সুন্দর সমাজ সাতক্ষীরা গড়ার, যার অক্লান্ত পরিশ্রম শুধু মাত্র মানুষের কল্যানের জন্য, যার হৃদয় সাতক্ষীরাবাসীর জন্য কাঁদে, যার জীবনী সাতক্ষীরার ইতিহাসে স্বর্ণ-মূদ্রণে মূদ্রীত তিনি অধ্যাপক ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক।

গণমানুষের প্রাণ, নয়নের মনি, উন্নয়নের কর্ণধার, অধ্যাপক ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছেন।