জীবননগরে প্রেমের টানে গৃহবধূর অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি

93

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: জীবননগর উপজেলার কাশিপুর মাঠপাড়ায় সহজ-সরল স্বামী আর দু’সন্তানকে রেখে পরকীয়ার টানে এক গৃহবধূ প্রতিবেশী যুবকের হাত ধরে অজানা ঠিকায় পালিয়ে গেছে।

সুত্র জানায়,জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের কাশিপুর মাঠপাড়ার শরবত আলীর ছেলে কায়ুম আলীর (৩৫) সাথে উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের বকুন্ডিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে আকলিমার (৩০) গত ১২-১৩ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে কবিতা (৯) নামের একটি মেয়ে সন্তান ও আব্দুল্যাহ (৫) নামের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সুখেই চলছিল তাদের দাম্পত্য জীবন।

এ অবস্থায় গৃহবধূ আকলিমা খাতুন প্রতিবেশী ইন্তাজ আলীর অবিবাহিত ছেলে শাহ আলমের(২০) সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। গোপনে চলতে থাকে তাদের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক।প্রতিবেশীদের মধ্যেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

গৃহবধূ আকলিমার সহজ-সরল স্বামী কায়ুম আলী বলেন,রোববার সকাল ১১ টার দিকে আমার স্ত্রী আকলিমা জীবননগর হাসপাতালে যায়। হাসপাতালে কিছুক্ষণ অবস্থান করতে না করতেই আমাকে বলে যে,টাকা আনতে ভুলে গেছি,এখন কি হবে? এ কথা বলে আমাকে টাকা আনার জন্য বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। আমি সরল মনে তাকে হাসপাতালে রেখে বাড়ী থেকে টাকা নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখি স্ত্রী আকলিমা নেই।

খোজাখুজিকরার পর জান্তে পারি প্রতিবেশী শাহ আলমের সাথে চলে গেছে। জীবননগর কাজি অফিস থেকে ফোন দিয়ে বলা হয় আমার স্ত্রী আকলিমা আমাকে গত এক সপ্তাহ আগে আমাকে ডির্ভোস দিয়ে দিয়েছে।

জীবননগর কাজি অফিস সহকারী সোহেল বলেন,আকলিমা খাতুন আমাদের কাজি অফিসে এসে তার আগের স্বামী কায়ুম গত এক সপ্তাহ আগে স্বেচ্ছায় ডির্ভোস দিয়েছে। আমরা তালাকের কপি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে পাঠিয়ে দিয়েছি।

এ ব্যাপারে কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার নিজাম উদ্দিন বলেন,শাহ আলমের সাথে গৃহবধূ চলে গেছে এমন গুঞ্জন গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। শাহ আলম বর্তমানে বাড়ীতেই আছে। আবার শুনছি গৃহবধূ আকলিমা নাকি তার আগের স্বামী কায়ুমকে তালাক দিয়েছে। আগে কখনও তাদের পরকীয়া নিয়ে কিছু শুনিনি। লোকজন বলছে শাহ আলম গৃহবধূ আকলিমাদের বাড়ীতে যাতায়াত করত। তারপরও খোঁজাখুজি চলছে।