জীবননগরে গৃহ বধুর রহস্য জনক মৃৃত্যু

নওয়াজ শরিফ পিয়াসঃ জীবননগর পৌর শহরের আশতলাপাড়ায় এক গৃহবধূ রহস্য জনক মৃত্যুহয় বলে জানা গেছে। । এলাকাবাসী জানায়, জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের পাথিলা গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে ট্রাক ড্রাইভার সুজন ভালবেসে উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামের বদর উদ্দিনের মেয়ে স্বামী পরিত্যক্ত ও এক সন্তানের জননী সুন্দরী রুনা খাতুনকে(২৫) গত দেড় বছর আগে বিয়ে করেন। কিন্তু তাদের এ বিয়ে সুজনের পরিবার মেনে না নেয়ায় সুজন স্ত্রীকে নিয়ে জীবননগর শহরে বিভিন্ন বাড়ীতে ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হলে সুজন তার স্ত্রী রুনার ওপর নির্যাতন করতে থাকে এবং দাম্পত্য জীবনে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।

এ ঘটনার কিছু দিন যেতে না যেতে সুজন আবার গৃহবধু রুনার সাথে যোগাযোগ গড়ে তোলে এবং আবারও তাকে বিয়ে করেন। অতি স্পপ্রতি সুজন তার স্ত্রীকে নিয়ে শহড়ে বসবাস শুরু করেন ।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে তাদের কোন সাড়া না পেয়ে বাড়ির মালিকের স্ত্রী গৃহবধূ রুনাকে ডাকাডাকি করতে থাকেন। কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে এক পর্যায়ে ঘরের দরজা খুলে দেখেন যে,গৃহবধূ রুনার লাশ খাটের ওপর পড়ে আছে।

ধারনা করা হচ্ছে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বলে পুলিশের ধারনা। জীবননগর পৌরসভার সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওয়াসিম রাজা হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন,প্রতিবেশীদের নিকট শুনেছি সুজন ও রুনার মধ্য পারিবারিক কলহ ছিল। ঘটনার দিন সকালেও তারা দু’জনে গন্ডগোল করেছে। জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ গনি মিয়া হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। গৃহবধূ রুনাকে তার স্বামী মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার করেছে। তবে লাশ ময়না তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

error: লাল সবুজের কথা !!