চুকনগরে আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গণধোলাই

398

মোটা অংকের রফাদফা

আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: চুকনগরে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে অবকাশ আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে জনতা এক প্রেমিক যুগলকে আটকিয়ে রেখে তাদেরকে গণধোলাই দেয়। গণধোলাই থেকে রক্ষা করতে তাদেরকে চুকনগর বাজারের একটি প্রতিষ্ঠানে আটকে রাখে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে। অবশেষে মোটা অংকের রফাদফার পর ছাড়া পেল ও প্রেমিক যুগল।

জানা গেছে, উপজেলার লক্ষ্মীনাথকাটি গ্রামের সামছুর রহমান মোড়লের ছেলে পলাশ (২৪) এর সাথে মনিরামপুর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের প্রতিবন্ধি ইউনুস আলী সরদারের কলেজ পড়–য়া মেয়ের (১৮) মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার পলাশ তার প্রেমিকাকে বেড়ানোর কথা বলে চুকনগর অবকাশ আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষ স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ভাড়া নিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছিল। আগে থেকে স্থানীয়দের নজরে তাদের চলাফেরা ও কথা বার্তায় সন্দেহ হওয়ায় চুকনগর বাজারের কয়েক যুবক তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসা করলে তারা স্বীকার করে তারা স্বামী-স্ত্রী নয় প্রেমিক-প্রেমিকা। ওই সময় জনতার গনধোলাই খেয়ে হোটেলে অসামাজিক কর্মকান্ডের কথাও স্বীকার করে। এরপর ওই প্রেমিক যুগলকে বাজারের একটি প্রতিষ্ঠানে আটকিয়ে রেখে তাদের পরিবারকে সংবাদ দিয়ে ডেকে এনে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকায় রফাদফার পর তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ছেলের পিতা সামছুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের দীর্ঘ দিন ধরে সম্পর্ক ছিল, ধরা পড়ার আগে ছেলে পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হলে মেয়ে পক্ষ তা প্রত্যাখ্যান করে।

এ ঘটনায় চুকনগর অবকাশ আবাসিক হোটেল ম্যানেজার হরিপদ মজুমদার বলেন, ঘটনার দিন তারা হোটেলে একটি রুম ভাড়া নিয়ে সেখানে অবস্থান করেছিল।