খুশির দিনকে ঘিরে সাজ-সজ্জায় ব্যস্ত ঈদগাহ কমিটি

348

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের খুশির দিন মাহে রমজানের শেষার্ধের ঈদের দিন। সারা দেশে রমজানের রোজা শেষে এই দিনটি পালন করতে ব্যস্ত সময় পার করেছে এবং বিভিন্ন্য প্রান্ত থেকে ঘরমুখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান বাড়ি ফিরছে । কেউ কেউ ব্যস্ত সময় পার করে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য ঈদগাহের গেটসহ চতুর্দিক বিভিন্ন সাজসজ্জায় রাঙ্গিয়ে। কিশোরদের মুখে মুখরিত – সামনে আসছে খুশির দিন,ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঈদের দিন।শুধু তাই নয় মুসলমানদের সাথে অন্য ধর্মাবলম্বী মানুষেরাও ওই দিন আনন্দের সহিত পালন করে বিভিন্ন আঙ্গিকে।

আর মাত্র একদিন পরই খুশির দিন,রাত পোহালেই সামনে আসছে ঈদের দিন। চলতি ২৮শে রমজান, ধারণা করা হচ্ছে ২৯শে রমজানের পরের শনিবার দিন ঈদ । সারা দেশের ন্যয় সেই ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কলারোয়াতে সাজসজ্জা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন ঈদগাহ কমিটি ও ডেকারেটারের লোকজন।

সরেজমিনে দেখা যায়- তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঈদগাহ ময়দান গুলো সাজে, পরিস্কারে ব্যস্ত ঈদগাহ কমিটির লোকজন। একদিন পরেই ঈদ, আর ঈদকে সামনে রেখে অপরূপ সাজে সাজছে ঈদগাহ ময়দান।

অনেক যায়গায় আলোক সজ্জা সাজানো শেষ। আলোকসজ্জায় এক অপরূপ চোখ ধাঁধানো সাজ।যেটা রাতের বেলায় দৃশ্যমান।ঈদের নামাজ পড়ার জন্য ঈদগাহ কিংবা মসজিদগুলোর সামনে ইতোমধ্যে প্যান্ডেলের গেট তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। মাইকের জন্য বুকিং পড়েছে বিভিন্ন সাউন্ড অপারটরে।

সুত্রে জানা যায়, এবারো উপজেলার সর্ববৃহৎ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে চন্দনপুর ইউনিয়নের গয়ড়া-রামভদ্রপুর-কায়বা সম্মিলিত ঈদগাহে। ওই ঈদগাহ কমিটির পক্ষ থেকে জানা গেছে- রামভদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঈদগাহের পাকা জমিনসহ সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে ৪থেকে ৫হাজার মসল্লি সেখানে একসাথে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।পাশাপাশি উপজেলা সদরসহ ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো হাইস্কুল মাঠস্থ বড় ঈদগাহ ময়দানসহ বিভিন্ন ঈদগাহে ঈদের নামাজ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় করতে প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সকাল ৭/৮টা থেকে শুরু হয়ে সকাল ১০টা পর্যন্ত ঈদের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে।প্রসাশন সুত্রে জানা যায়, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ঈদের নামাজ ও ঐ দিনটি পালন করার জন্য উপজেলার প্রতিটি এলাকায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থায় বিশেষ ভুমিকা পালন করবে।

আরও জানা যায়, সম্প্রতি কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেবনাথ বলেছেন- ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। ঈদ মানে আনন্দ আর তাই ঈদের আনন্দও সবার। নির্বিঘ্নে ঈদ উৎসব পালনে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে।

আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে ও মাদক বিরোধী গণসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আয়োজিত এক মিটিং-এ ১২জুন মঙ্গলবার দুপুরের দিকে থানার ওসি’র অফিসকক্ষে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নিয়ে এসব কথা বলেছিলেন।

সে সময় তিনি আরো বলেছিলেন – ‘শান্তিপ্রিয় কলারোয়াবাসী যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উৎসব পালন করতে পারে তার জন্য পুলিশসহ সবাই সজাগ আছে। যেকোন মূল্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে পুলিশ জিরো টলারেন্সে থাকবে বলেও ব্যক্ত করেন তিনি।এবং শান্তি শৃঙ্খলা বজায়সহ খুশির ঈদ আর ঈদগাহ কিংবা ঈদের নামাজ পড়ার বর্ণাঢ্য আয়োজনের প্রত্যাশায় কর্মযজ্ঞতা চালাচ্ছেন উপজেলার সকল ইউনিয়নের ঈদগাহ কমিটির সংশ্লিষ্টরা ।