কেশবপুরে ৮টাকার প্যারাসিটামলের পাতা ৩০ টাকা!

47

আজিজুর রহমান, কেশবপুর প্রতিনিধি :
কেশবপুরে সিন্ডিকেটের কারণে আট টাকার নাপা প্যারাসিটামল ৫০০ মি.গ্রা. পাতা ত্রিশ টাকা বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্যারাসিটামল ঔষধের দাম তিনগুন হওয়াই ভোগন্তীতে পড়তে হচ্ছে রোগীদের।বর্তমান ঋতু পরিবর্তনের কারণে অধিকাংশ মানুষ সর্দি, কাশি, জ্বরে ভুগছেন।

এমন পরিস্থিতে প্যারাসিটামল ঔষধের বেশি চাহিদা থাকায় গত কয়েক দিন ধরে বাজারে প্যারাসিটামল ঔষধ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষ পড়ে গেছে চরম বিপদে। বর্তমানে প্যারাসিটামল সাপ্লাই কম থাকায় সেই সুযোগে কতিপয় দোকানদার সিন্ডিকেট করে ঔষধ বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতা সবুজ হোসেন বলেন ৮ টাকার এক পাতা ঔষধ ৩০ টাকা দিয়ে কিনেছি। ব্যবসায়ী কার্তিক চন্দ্র দে বলেন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বুধবার প্যারাসিটামল কিনতে যমুনা ফার্মেসীতে গেলে পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে অন্য গ্রুপের ঔষধ কিনি।মজিদপুরের শিক্ষক আব্দুল মোমিন বলেন বাজারে থেকে একপাতা প্যারাসিটামল ৩০ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছি।বিষয়টি এ প্রতিবেদক জানতে পেরে থানা মোড়স্থ “রাজ মেডিকেল হল” সরেজমিনে গিয়ে লোক মাধ্যমে এক পাতা নাপা ৫০০ মি.গ্রা. ৮ টাকার ঔষধ ৩০ টাকা দামে ক্রয় করেন। কেমিষ্ট এ্যান্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সহ সভাপতি একে আজাদ ইকতিয়ার বলেন ঔষধের নির্ধারিত মূলের থেকে বেশি দাম নেওয়া যাবে না ।

কেশবপুর কেমিষ্ট এ্যান্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সভাপতি আলফা মেডিকেলের সত্ত্বাধিকারী ডাক্তার আনোয়ার হোসেন বলেন, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানীর নাপা গ্রুপের ঔষধ সাপ্লাই নেই, তবে কোন ফার্মেসীতে যদি থেকে থাকে তাহলে ন্যায্য মূল্যে বিক্রয় করতে হবে।

এ বিষয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ইরুফা সুলতানা বলেন এ সংক্রান্ত খবর পেয়ে তিনি রাজ মেডিকেল হলের সত্ত্বাধিকারী জাকির হোসেন কে প্রাথমিকভাবে সতর্ক করেন। পরবর্তীতে কেশবপুরের কোন ফার্মেসীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।